মহসিন আলম মুহিনঃ যায় না বৃথা শ্রম যদি মন দিয়ে পরিশ্রম, অলসতা ফেলো ঝেড়ে-হবে না পণ্ডশ্রম।। পাছে লোকের কথার সময় নেই শোনার, ভালো কাজ করলে সবে বলবে চমৎকার।। কাজ ছোট
বিনয় দেবনাথঃ শরৎ শেষে দুপুর বেলায় বায়ুর ছেঁকে যেন গা পুড়ল; দলে বলে ওরা সব মিলে মিশে একসাথে স্নান করল। আসলো উড়তে পাখিরা সব যেন এ আকাশ পানে; সাদা
বিনয় দেবনাথঃ এত ভালোবাসা রাখবো কেমনে এমন পাত্র পাই কোথায়? রেখেছি তোমায় স্নেহের বন্ধনে ভুলে যাই বলো কেমনে তোমায়। তোমার প্রেম, মধুর সোহাগ বিমোহিত করে এই হৃদয়, তাইতো এ
বিনয় দেবনাথঃ অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো বুঝি আমার, সুকমল হৃদয়ের মাঝে শুধু আমি তোমার। সারাজীবন মধুময় হোক বন্ধনে সিক্ত বাঁকে, আমি যেন পাগল হয়ে গেলাম তোমায় দেখে। বহুদিন পর এসেছো
মো শারীদ মোল্লাঃ শরৎ এলো ভাদ্র মাসে, তাল পেকেছে গাছে, টাপুর টুপুর ধাপুর দুপুরে তাল পড়ে নিচে নাচে। পাকা তালের মিষ্টি গন্ধে ভরে চারদিক বাতাস, মৌমাছি আর রঙিন প্রজাপতি ঘুরে
মো শারীদ মোল্লাঃ শরৎ এলো ভাদ্র মাসে তাল পেকেছে গাছে , টাপুর টুপুর ধাপুর দুপুর তাল পড়ছে নিচে । পাকা তালের গন্ধে এলো মৌমাছি আর মাছি মগডালে বসে খায় পাখি
নার্গিস আক্তার শরৎ এলো ভাদ্র মাসে আসবে আশ্বিন হেসে তাল পেকেছে গাছে গাছে মৌমাছিরা বাসে। তালের পিঠা খেতে মজা লাগবে তেল মিঠা খোকা খাবে তালের পিঠা মায়ে ভাজবে পিঠা। শরৎ
দীপ্ত চক্রবর্ত্তীঃ বৃষ্টি পড়ে ঘোর বরষায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে আজ, পাপড়ি মেলে সদ্য ফোটা ফুলের ভারি লাজ! লুকাতে চায় নিজেরে তাই পাতার আভরণে ভেজা দেহের রূপ যে তাহার নয়ন হরে,হৃদয়
সাবিত রিজওয়ানঃ সেই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে বের হয়েছি। মাঝপথে: চান্দিমা বাইপাসের ধারে কিছু হোটেলের সাইনবোর্ড চোখে পড়তেই শাহ আলম কাক্কু বলে উঠলেন,”তুফান, সামনের হোটেলে ট্রাকটা দাঁড় করাও। অনেক চালাইছো,
ছারছীনার পীর ছাহেবঃ সম্প্রতি পুলিশ বাহিনীর তিনজন সদস্য নিয়মানুযায়ী নবীর সুন্নাত দাঁড়ি রাখার জন্য আবেদন করে। দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরও লিখিত অনুমতি না পাওয়া গেলেও তারা দঁড়ি সেভ করা বন্ধ