অচিন্ত গোস্বামীঃ তিনজন ছিলাম—হাস্যরসে গড়া বন্ধন, প্রফুল্ল কণ্ঠে উচ্চারিত হতো জীবনের সহজ সত্য। পথ চলত সমান, পদক্ষেপে থাকত ছায়ার মতো কথা, দুপুরের রোদে কিংবা সন্ধ্যার নরম আলোয়। তাদের এক জন—আজ
উন্নত মম শির বিনয় দেবনাথঃ হে চির উন্নত শির… শব্দরা জাগে তোমার আলোক নহরে গোলামির জিঞ্জির ভেঙ্গে যায় তোমার দ্রোহের ঝংকারে। মুক্ত পাখিরা উড়ে যায় বুকের পিঞ্জর খুলে আছো
পুষ্প রানী মোবাইল ফোন যারা তৈরি করেছেন – তাদের জানাই আমি আদাব , কিছু মানুষের জীবনে এই মোবাইল ফোন ; ঘটিয়ে চলেছে অদ্ভূদ বিবাদ। ডাটা খুললে ম্যাসেঞ্জারে বলে তোমার- ছবিটা
বিনয় দেবনাথঃ আমার কেউ নেই… চারিদিকে কত মানুষ, কত আপনজন,কত সংস্রর-সম্পর্ক, অন্তহীন রঙিন হাওয়াই মিঠার মতো বিচ্ছি ও ক্ষণস্থায়ী উড়ন্ত জলবুদ্ধ। আমার আপন বলতে কেউ নেই,বড্ড একা আমি। নীল গগনে
দীপ্ত চক্রবর্ত্তী জীবনকে দেখেছি নাঙ্গা শিশুর মুখে মায়ের স্তন আর লেগে থাকা ভাতের কণায় অম্লান গরিমায় হাসে। জীবনকে দেখেছি সবুজের বুকে সোনা রং দেখে হাজার মুখে প্রাপ্তির উল্লাসে। অপত্য স্নেহে,মায়ের
মহসিন আলম মুহিন হিমালয় নন্দিনী, মাতা মেনকার কন্যা, হিন্দু শাস্ত্র মতে শিব পত্নী উমা-“দুর্গা” নামে অন্যনা।। শরৎকালের-আশ্বিন প্রাতে কাঁসরের বাজনা মাঝে মহাধুমধামে উমা আসে পিতৃআলয়ে, কখনো ঘোটকে, কখনো নৌকায়, কখনো
বিনয় দেবনাথঃ অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলার কিছুই নেই। অক্ষরগুলি মিলিয়ে নিলেই হবে – দাবিটা কি করে করি? এর যেন নিছক ছাড়া কিছু নয়। নিরবেই থাকি আকসার জীবনের গড়াগড়ি দিয়ে যেন অন্ধকারে
নার্গিস আক্তার পিতা মাতার কান্নার ধ্বনি এক সমুদ্র ঢল খোকা খুকু আয়রে ছুটে আমার সঙ্গে চল। মা বাপের চোখের নোনা জল থামছে না কিছুতে সন্তানের ছবি ভাসছে বুকে মুছছে না
পুষ্প রানী সরকার ওরে মানুষ তোদের নেই কি হুস শুনেছি বিধাতা গড়েছে তোদের, মান আর হুস দিয়ে ভরপুর। বুঝে কেন অবুঝ তোরা ঘটাস- অঘটন, ঘাড়ে গিয়ে পড়িস অন্যের, করবি বলে
মহসিন আলম মুহিন মানুষ হয়ে মানুষকে তুমি, কেন করো অবহেলা, সরলতা আর বিশ্বাস নিয়ে কেন লুকোচুরি খেলা।। মা-বাবার আদরে বড় হও কদরে সুন্দর হেসে-খেলে, নেওনা কেন খোঁজ-খবর পড়ন্ত বিকেলে বৃদ্ধাশ্রম