বিনয় দেবনাথঃ আমি প্রতীক্ষায় আছি হাজার বছর ধরে হয়তোবা তুমিও অপেক্ষা করছ আরও পরে আমার কোটি বছরের ভালবাসা পূন্জিভূত শীতের কুয়াশামাখা ভোর যেন আবির্ভূত। যখন দেখি অদ্ভুত প্রেম ভালোবাসায়
মহসিন আলম মুহিনঃ হে পথিক দুর্বার গতিতে চলিছো কোথা, নব নব উদ্যমে আইফেল টাওয়ার, বুর্জ-খলিফা, পেট্রোনাস কিংবা পৃথিবীর এক আশ্চর্য ধ্যান করে।। বহিয়া চলিছে একাকি নদী আপন গতিতে, আছে ঠিকানা
বিনয় দেবনাথঃ “হে স্বাধীনতা” তুমি আমার অহংকার, তুমি আমার গর্ব। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে তোমায় পেয়েছি অনেক মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে তোমায় পেয়েছি অগণিত মায়ের সন্তান হারার বিনিময়ে তোমায়
নার্গিস আক্তার নয় মাস যুদ্ধ করে এলো লাল সবুজের নিশান সাত সমুদ্র রক্তের নদী বয়ে এল স্বাধীন। আমার দেশের বীর সেনারা জীবন দিল মাটি শত্রুর সঙ্গে যুদ্ধ করে মাটি করলো
সাবিত রিজওয়ানঃ তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়।
বিনয় দেবনাথঃ তোমাকে যখন আমি বললাম; আবার কবে হবে কথা ? বললে তুমি; জানিনা। ঠিকই বুঝেছিলাম; হয়তো বা কখনো তোমার আর আমার সাথে কথা হবে না। তোমাকে যখন বললাম
নার্গিস আক্তারঃ শরৎ যায় চলে খেলা শেষ এলো হেমন্তকাল হেমন্ত আকাশ ধূসর ধোঁয়া হেমন্ত বিরহ কাল । আকাশ ধূসর মেঘে ঢাকা সূর্যের নেই দেখা গাছের পাতা নিরব নিস্তুপ শীতল ছাওয়া
মহসিন আলম মুহিনঃ টাপুর টুপুর বৃষ্টি কি অপরূপ সৃষ্টি।। হৃদ মাঝারে ঝড় হিয়া জুড়ে তোলপাড়।। জানালায় চাঁদ হাসে মন হারায় আবেশে।। নয়নে স্বপ্নের আকাশ অন্তরে প্রেমের প্রকাশ।। মধুর লাগে বৃষ্টি
বিনয় দেবনাথঃ ঐ সেদিনকার মেঘলা আকাশ চায়ের চুমুকে তোমার আভাস। ভুলে গেছি আমারে, আমি কে? তোমার ভূমিকায় হারাই নিজেকে। পদ্ম বনে কে ছিল সে, তুমি হীনা দিবা নিশি যে।
বিনয় দেবনাথঃ সোনালী রোদ্দুর যেন ঢেলে চলে গেছে বহু দূরে, কুয়াশা আবিরে তাকেনি প্রকৃতি। ঝরেনি শিশির বিন্দু পত্র-পল্লবে ঘাসের বুকে, তবুও শুভ্র ফুল ফুটেছে কাশের বনে; দোলা লাগে উত্তরী