নাসরিন সুলতানা রহমানঃ পৃথিবীর আনাচে-কানাচে অজস্র রঙিন অক্ষরে লিখব আমি আমার জন্মের কথা – কখনো সেজে উঠবে, কখনো বেজে উঠবে; অসংখ্য বাক্যের চক্রে মনের কথায় সেথা। কখনো কবিতা, কখনো গল্প,
দীপ্ত চক্রবর্ত্তীঃ বড় সাধ জাগে অনন্তকাল ধরে ছুঁয়ে দেখি তোমার জল-বুক ডুব দিয়ে গহীন অতলে; চলতে চলতে ঘাস-পাড়ে আঙ্গুলের ডগায় তুলে নিই শিশির সন্ধ্যায়,ভোরে। তারপর ধীরে,অতি ধীরে গোধূলির লালের মতন
বিনয় দেবনাথঃ ‘আমার আপন বলতে কেউ নেই… যার কাছে আমি নিজের মনের সুখ দুঃখের কথাগুলো ব’লে কষ্টের জ্বালা মিটিয়ে একটু শান্তি পেতে পারি। বন্ধু-বান্ধব বলতে জেনেছি যাদের, তারা সবাই
বিনয় দেবনাথঃ পথে পথে হাটে কবি দুচোখ ভরে কবিতা নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে- কত ইন্দ্রিয় কবিতা লিখার ভাষা সম্মোহনে বিচিত্র দৃশ্যে সাজে। অশ্রু জলে কতটুকু আঁকা যায় তারে? আর কতটুকুই
বিনয় দেবনাথঃ জানালার শার্শিতে বৃষ্টি এসে ঝুম ঝুম নুপুর বাজায় চোখের পাপড়ি নেঁচে নেঁচে মধুর প্রেমে বৃষ্টি নামায়। গাছের নিরব পাখিরা ভেঁজা ঘুম ঘুম যেন গুটি সুটি ভিঁজা উঠুন,
মো : আল ইমরান মন্ডলঃ অন্ধকারের পথিক আমি, খুঁজি আলোর দিশা, ঝড়ের মুখে জ্বালিয়ে রাখি, বিশ্বাস আর ভালোবাসা। হাজার বাধা সামনে এলেও থামি না কোনদিন, স্বপ্নগুলো ডানা মেলে ডাকে আমায়
সাবিব হাসানঃ নিরাফিসা জানো মানুষের জীবনে কিছু মানুষ আসে যাদেরকে কখনো পুরোপুরি হারানো যায় না। তুমি ঠিক তেমনই একটা নাম যাকে ভুলে যাওয়ার অভিনয় করা যায় কিন্তু ভুলে থাকা
নাসরিন সুলতানা রহমানঃ সঘন মেঘের নীল আঁচলে ঢেকে গেছে নভোমণ্ডল, শ্রাবণ যেন প্রেমের ভাষায় লিখে চলে অনন্ত ছল। কদমফুলের হলুদ হাসি, বৃষ্টির মৃদু আলাপন, অপূর্ব সতেজতায় জাগে কবির প্রথম স্পন্দন।
মো শারীদ মোল্লাঃ বর্ষার প্রথম দিন আজ, আকাশে মেঘের ঘনঘটা, ঝিরিঝিরি বৃষ্টির ফোঁটায় ভিজে যায় শহরের পথঘাট। প্রকৃতির এই স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় জেগে ওঠে স্মৃতিরা সব, তোমার কথাই মনে পড়ে
বিনয় দেবনাথঃ আষাঢ় এলো রিমিঝিমি বৃষ্টি নিয়ে এই সকাল বেলায় হৃদয় ছেয়ে আষাঢ় আমায় চমকে দিলো যেন দেহটা- হঠাৎ যেন দম ফুরিয়ে আসে আমার প্রেমের খেলায় মিষ্টি মধুর মেঘলা