বিনয় দেবনাথঃ আজকে খুশীর বসল মেলা ঈদগাহের ঐ ময়দানে। সাজলো নতুন ভূষণে সব লাগলো দোলা সব মনে। ছিয়াম সাধনা শেষ হ’লে পর আসলো দ্বারে ঈদের দিন, নাইতো কারো দুঃখ-ব্যথা
বিনয় দেবনাথঃ আমাকে কেউ বুঝলো না- হয়তো বুঝেও না বুঝার ভান করছে। কিংবা আমাকে বুঝতে চাইনি- আমি কি করে আমার কষ্টের কথাগুলো বুঝাবো। আমাকে ভালোও বাসেনি কেউ আমি হয়তো
নার্গিস আক্তারঃ চাঁদ উঠেছে আকাশ নীলে রমজানের এই রাত রোজা রাখবে মুমিন-মুসলিম রাতে খাবে ভাত। রোজা রাখলে সওয়াব হবে শোনো মুমিন ভাই রোজার দিনে মুক্ত হস্তে দান সদগা করে যাই।
বিনয় দেবনাথঃ তুমি এক সৌন্দর্যের লীলাভূমি লালাখাল এক সৌন্দর্য প্রিয়াসী অপূর্ব অভিধান তুমি পশরে বেড়াই যখনই সুন্দরের উপমা বেহাল সাগরের কিনারে গিয়ে পাই প্রিয় জন্মভূমি । আমি সৌন্দর্য খুঁজতে
বিনয় দেবনাথঃ তুমি এক সৌন্দর্যের লীলাভূমি লালাখাল এক সৌন্দর্য প্রিয়াসী অপূর্ব অভিধান তুমি পশরে বেড়াই যখনই সুন্দরের উপমা বেহাল সাগরের কিনারে গিয়ে পাই প্রিয় জন্মভূমি । আমি সৌন্দর্য খুঁজতে গিয়ে
মহসিন আলম মুহিনঃ তেরোশত আটান্ন বাংলা, তারিখ আট ফাল্গুনের- ভাষার জন্য জীবন দিলো শ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলা মায়ের।। সে দিন ছিলো উনিশ শত বায়ান্ন সাল, ফেব্রুয়ারীর একুশ দিন, রক্তের দামে বাকস্বাধীনতা,
নার্গিস আক্তার ফেব্রুয়ারি মাস এলে শহীদদের স্মৃতি জাগে খোকা খুকু প্রভাতে ছুটে সূর্য ওঠার আগে। বাংলা ভাষা রক্ষা করতে জীবন করলো দান বীর শহীদের রক্তের মান একুশের এই গান। সালাম
মহসিন আলম মুহিনঃ আঁধারে আলোর মুখ, দেখলে পাই সুখ, বেদনার বালুচরে, যতই আসুক দুঃখ।। আকাশের কালো মেঘ, সাথে ঝড় বৃষ্টি, আবার রোদেলা হাসি, কেড়ে নেয় দৃষ্টি।। ঝঞ্ঝার রাত জুড়ে-ভয় আর
নার্গিস আক্তারঃ হেমন্ত যে এলো দেশে নবান্নের গীত গেয়ে ঘরে ঘরে পিঠার উৎসব পল্লী মায়ের সায়ে। ধান কেটে আনলো কৃষক কৃষানীর মুখে হাসি বারো মাসে তেরো পর্বন পল্লী গাঁয়ের মাসি
মহসিন আলম মুহিন মনে হয় এইতো সেদিন, কত কথা বলেছিলে, আজিকে সবই কালের গহ্বরে, হিসাব নাহি মেলে। তোমাতে আমাতে দু’জনার জমা কতো না মধুর স্মৃতি, সকলই আজিকে বিষাদের সুরে-শুনায় বিরহ