1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. nayakontho@gmail.com : nayakontho :
  3. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের দাবি প্রত্যাখ্যান ভারতের সাভারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাঃ সালাউদ্দিন বাবু রাজশাহী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন আটক।    রাজশাহী ওয়াসার সাথে রাসিক প্রশাসকের সভা অনুষ্ঠিত ব্যানার-পোস্টার অপসারণ ও ফুটপাত দখল মুক্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক। পাহাড়ের গ্রামে গ্রামে প্রাক বড়দিন উদযাপন। রাসিকের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত।   নড়াইলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন বালিয়াকান্দিতে নবাগত ওসি’র সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় :পুলিশ–সাংবাদিক সহযোগিতায় নিরাপদ সমাজ গঠনের প্রত্যাশা

ইচ্ছে ও বাধ্যবাধকতা

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯ বার পঠিত

সাবিত রিজওয়ানঃ

তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়। কিন্তু তুফান এবং তার কয়েকজন সহপাঠীর ক্ষেত্রে নিয়োগের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল—২০ জন ট্রেইনির মধ্যে তুফানসহ সাতজনই প্রস্তাবিত কোম্পানিতে চাকরি করতে চাইছিল না।

ট্রেনিং শেষে সবাই ছয় দিনের বিশ্রাম পায়। চাকরিতে যাওয়ার দিন, ২০ জনের মধ্যে চারজন আর সেন্টারে উপস্থিত হয় না। কিন্তু তুফানকে অবশ্যই আসতে হয়। বাড়ি থেকে ট্রেনিং সেন্টার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হলেও তাকে যাতায়াত করতে হয়।

তুফানসহ তিনজন ট্রেইনার ট্রেইনিং কর্মকর্তাদের জানায়,
“স্যার, আমরা এই কোম্পানিতে চাকরি করতে পারব না। রাতের ডিউটি আমাদের জন্য সম্ভব নয়, আর যে বেতন দেওয়া হবে, তা দিয়ে আমাদের চলবে না। এছাড়া আমরা কিছুটা অসুস্থও।”

সত্যিই, তুফান এবং হাসান দুজনই অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু ট্রেইনাররা এ কথাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে তাদের নিয়ে ঢাকা—উত্তর বাড্ডায় কোম্পানির একটি অফিসে ইন্টারভিউ-এর জন্য নিয়ে যায়। ইন্টারভিউ শেষে একজন রাগ করে চলে যায় এবং চাকরি করতে অস্বীকার করে। বাকি ১৫ জনকে নরসিংদীর কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কোম্পানিতে পৌঁছেও তারা দুইজন ট্রেইনারকে জানায়,
“স্যার, আমরা এখন চাকরি করতে পারব না। আমাদেরও তো ইচ্ছে থাকা উচিত।”

৩০–৪০ মিনিটের আলোচনার পর, তুফান, হাসান এবং ট্রেইনাররা তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে হাসান রওনা হয় দিনাজপুরের দিকে।

গল্পটি শেষ হলেও তুফানদের এই পরিস্থিতি আমাদের শেখায়—জীবনে কখনও কখনও বাধ্যবাধকতার সঙ্গে ইচ্ছের সংঘাত ঘটতে পারে, এবং সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সাহসের দরকার হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৫ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD