চাঁদ মামার গল্প ইয়াকুব আলী তুহিন চাঁদ মামা আকাশেতে, হাসে মুখটা ভরে, তারা বলে, মামা তুমি কবে আসবে ঘরে? মামা হাসে নরম সুরে, ঝিকিমিকি আলো, রাতের বেলা শোনায় মামা, কত
চোখ বন্ধ আব্দুস সাত্তার সুমন চোখ বাঁধলে যায় না দেখা বন্ধ চোখের পাতা, স্বপ্ন যেন কালো আঁধার শূন্য তাহার খাতা। কত কথা বলতে চায় সে মনের যত জ্বালা! বদ্ধ চোখে
জানতে হবে ইয়াকুব আলী তুহিন আজকে আমার চলতে হবে সত্য কথা বলতে হবে। ভাবতে হবে জাগতে হবে পড়তে হবে বইকে। মনের মাঝে স্বপ্ন রেখে ছুঁতে হবে শিখরকে। আজকে আমার শিখতে
পালাবদল আব্দুস সাত্তার সুমন হালকা হালকা শীতের জাগান গরম যাচ্ছে চলে, ঋতুরাজের পালাবদল শীত আসলো বলে! জলের মাঝে জোসনা রাশি জ্বলছে প্রতিচ্ছবি, ভোরের আলোয় শিশির ভেজা উঠলো জেগে রবি। শাপলা
আমার কেউ নেই বিনয় দেবনাথ আমার কেউ নেই কখনোই কেউ ছিল না আমার। খারাপ একাকিত্বটাকে যে আমাকে নিজের করে ভরসা দেবে- আমাকে বিশেষ কোন দিনে সময়টা দেবে; সেটা প্রত্যক্ষ হোক
এ দেশেতে জন্ম আমার মোঃ জাবেদুল ইসলাম রমনীগঞ্জ, বড়খাতা হাতীবান্ধা লালমনিরহাট, বাংলাদেশ। এ দেশেতে জন্ম আমার এ দেশেতে থাকি। এ দেশেরেই চন্দ্র সূর্য, সকাল বিকাল দেখি। এ দেশেতে রাখাল ছেলে,
এক ফালি আশা মহসিন আলম মুহিন আকাশের চাঁদ সাথে নিয়ে জ্যোৎস্নাকে, চুয়ে চুয়ে নেমে আসে সাগরের বুকে, মৎস্য কুমারীর কপালের টিপ হয়েছে তারা, এক বিলাসী মায়ায় আনন্দে আত্মহারা।। কালের খেলায়
ভিনগ্রহের মানুষ শাহজালাল সুজন আমি কি বাংলাদেশ গ্রহের প্রাণী নাকি ভিনগ্রহের মানুষ হোলি খেলার উৎসব চলে অবাধে এটা কি দেশ নাকি নরক? সেখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কত জীবের বাস তবুও নেই
সোনার ইলিশ আব্দুস সাত্তার সুমন সোনার ইলিশ রুপা দিয়ে বেঁধে রাখা মাছ, খেতে হলে রোপন করি টাকায় ধরা গাছ। লালন পালন করতে হয় না নদী থেকে আসে, হাজার টাকা ধনী
বাজায় খোকা বীণ মোঃ জাবেদুল ইসলাম পূর্ব দিকে সূর্য উঠে, রঙিন আলোয় হেসে। নীল আকাশে মেঘেরা সব, বেড়ায় ভেসে ভেসে। রাখাল ছেলে গরু মহিষ, লয়ে যায় মাঠে। মাঝি ভাই নৌকা