ঘুমন্ত আত্মা মোঃ রহমত আলী বোবার মুখ খুলে গেছে আজি, এতদিন কণ্ঠে ছিল চাপা মিথ্যার জয় গানের জয় জয় সুর। বয়রা এখন দেখি শুনছে কানে, এতদিন তো শোনেনি মজলুমের আর্তনাদ
প্রার্থনা এম, আলমগীর হোসেন প্রশংসা সব তোমার হে রব তুমি বিশ্বপতি, সকল সময় করুণাময় দয়ার সাগর অতি। জগত স্বামী মালিক তুমি শেষ বিচারের দিন, বিচার তোমার হে পরোয়ার পক্ষপাত বিহীন।
মাছ ধরবে কন্যা আব্দুস সাত্তার সুমন নৌকা চড়ে গ্রামের কন্যা ধানের ক্ষেতের পাশে, টেংরা পুঁটি ধরবে মাছ চুপ্টি করে বসে। পিপীলিকার বাসা ভেঙে সাদা ডিমের ছানা, বড়শি দিয়ে স্বীকার করে
আমার বাড়ি মোঃ জাবেদুল ইসলাম আমার বাড়ি রমনীগঞ্জ, সবুজ ঘেরা গাঁয়। গাছ গাছালি পাখ পাখালী, রুপের শোভা পায়। বাড়ির পাশে আম বাগানে, আছে যতো গাছ। পাখিরা সব মিলেমিশে, করে সেথায়
খুকুমণির স্বপ্ন বিনয় দেবনাথ জেঠিমনি জেঠিমনি দেখ তো আমি কি সুন্দর বউ সেজেছি; ভালো করে দেখে বলো তুমি সত্যিই আমায় কেমন লেগেছে? মাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এ শাড়িটা আমি কেমন
কে কার জন্য মোঃ রহমত আলী কেউ আঘাত করো নতুন করে, আবার আমার মনের গভীরে। পুরনো ব্যথা যেন জিন্দা হয়, তোমার নতুন আঘাত পেয়ে। যে কেউ ঠোস দিয়ে যাও আমায়,
পড় তোমার প্রভুর নামে এম আলমগীর হোসেন পড় তোমার প্রভুর নামে সৃষ্টি যার দয়ায়, সৃজিল যে আলাক হতে মানুষ এ ধরায়। পড়ো তোমার প্রভু যিনি মহা মহীয়ান, কলম দিয়ে যিনি
ডাকছে যেন আমায় আব্দুস সাত্তার সুমন ফিলিস্তিনের কাব্য গাঁথায় প্রাচীন ঐক্যদল, যুগে যুগে ইতিহাসের ইরানি বন্ধু চল। শক্ত হাতে অস্ত্র কলম বীর মুজাহিদ দল, বারুদ গন্ধের শিলা ভূমি চোখে আসে
বাবুই পাখির বাসা বিনয় দেবনাথ বাবুই পাখির বাসা ছিল গাছটির উঁচু ডালে, বাসাটি তার হওয়ার বেগে দুলত তালে তালে। সেই বাসাতে মা পাখিটা দিল কয়েক জোড়া ডিম, ডিম ফুটে বের
ইরানি ঢল আব্দুস সাত্তার সুমন সাহিত্যকে ভালোবেসে বুক করে টলমল, ফিলিস্তিনের কাব্য কথা আমরা ঐক্যদল। লেখক লেখিকার মিলনমেলায় বাংলায় ইরানি ঢল, ফিলিস্তিনকে ভালোবাসি চোখে আসে জল। ধর্ম গোত্র সর্বোপরি ভালোবাসি