আঘাত বিনয় দেবনাথ আমি তোমার দেয়া সবগুলো আঘাত সযত্নে রেখে দিয়েছি। ভেবোনা তুমি – তোমার দেয়া আঘাতগুলো আমি ফিরিয়ে দেবো, আমি তো তোমার মত হতে পারিনি। হয়তো ভেবেছ, কেন রেখে
দাওয়াত মোঃ রহমত আলী চুলো তাই রোজ জ্বলছে জ্বলার , ধুলো রোজ তাই উড়ছে হাওয়ায়। পথ তাই চলছে পথিক রোজ চলার , ভাগ্যচক্র তাই রোজ ঘুরছে সময় , বাজার তাই
শুন্যতা বিনয় দেবনাথ আজকাল আর আমাদের কথা হয় না এখন আর তেমন একটা কথা হয়না আজকাল; সকাল গড়িয়ে বিকেল,বিকেল গড়িয়ে রাত, আর রাত গড়িয়ে আবার সকল তাও যেন হয়ে উঠে
হতাম যদি আমি বিনয় দেবনাথ আমি যদি পাখি হতাম থাকতো যদি আমার দুটি পাখা ছুটে যেতাম আকাশ নীলে বদ্ধ ঘরে যেতো কি আমায় রাখা? আমি যদি বৃক্ষ হতাম কিংবা হতাম
বিশ্ব চিঠি দিবস শাহজালাল সুজন সেপ্টেম্বরের এক তারিখে চিঠি দিবস হয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রুপ সুধী মহল কয়। কলম আঁচড় খাতার পৃষ্ঠে একই সুতোয় টান, সবাই মিলে চিঠি পড়তো জুড়াতো মন
জনাব-জবান মোঃ রহমত আলী কিছু কথায় মিলে সুখ শান্তি, তো কিছু কথায় হয় দুঃখ প্রাপ্তি, কিছু কথায় কষ্টের আঘাত, তবু কিছু কথায় হিম্মতের আভাস, কিছু কথায় হিংসার বাণী, তাই
জলের ত্রাস এম, আলমগীর হোসেন পাহাড়ি ঢলে সুকৌশলে ভাসায় আমার দেশ, ওরা ভেবেছে এই বুঝি সব হয়ে গেছে শেষ। অতি বারি ক্ষতি ভারী দেয়না পূর্বাভাস, বন্ধু বেশে চারিপাশে শত্রুর বসবাস।
গায়ের পথে আব্দুস সাত্তার সুমন দু’ভাই মিলে ভর দুপুরে মাওনা গায়ের হাটে! গ্রামের পথে হেটে চলে কাদামাখা মাঠে। কত কাজে যেতে হলো গ্রাম থেকে গ্রাম, নাস্তা করে চায়ে ধোঁয়ায় চুমুক
জীব বড়ো -মাহফুজা রহমান যত ফাঁকি ততো ঝুঁকি, জেনো খুকি নয় মেকি! ফাঁকি কাজ ধরে বাজ, করে সাজ বেড়ে রাজ! যাহা করো জমা ধরো, হলে জড়ো পাবে বড়ো! কম হলে
উদাস বাউল শাহজালাল সুজন বাউল চলে মেঠো পথে ক্ষেতের আইল ধরে, একতারা টা হাতে নিয়ে মা মাটির গান স্বরে। কখনো বা নদীর বাঁকে তাল মিলিয়ে চলে, দুঃখ ব্যথা ছন্দ গানে