রক্ত রঞ্জিত একুশ আমার সে তো ভুলে যাবার নয়? পূর্ব দিগন্তে সূর্যের আলোতে তোমার ছেলেরা ছায়া হয়ে রয়। বাংলা আমার মায়ের ভাষা বাংলায় কথা বলি, এ ভাষা আমার প্রাণের ভাষা
বসন্ত এলো বসন্ত এলো আরেকটি বছর ঘুরে, মিলেছে ডানা প্রকৃতির কুলে বাংলার ভুবন জুড়ে। শীত চলে যায়, বসন্ত আসে পালাবদলের মেলা, শুকনো পাতা ঝরে যাবে নতুন পাতার খেলা। সবুজ রংয়ের
একটি বই একটি আশা, একটি বই একটি ভালোবাসা। একটি বই একটি চেতনা, একটি বই একটি অনভুতি। একটি বই একটি দাবী, একটি বই একটি চাবী। একটি বই একটি ভূবন, একটি বই
জীব (যাদের জীবন আছে), জড় (যাদের জীবন নেই) ও ভৌত (পদার্থ বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অথবা পঞ্চভূতসম্বন্ধীয়) বিজ্ঞানে এসব উল্লেখ রয়েছে, আর তার মধ্যে জীবের বিচিত্রটা অন্য রকম। সবার মধ্যে সব ধরনের
ঘুমে গভীর রাতে যেন মধুর সুরে হরিত বনে কুহু কুহু সেজে নিস্তব্ধ নীরবতা অঘোর রাত ভরে কুহু কুহু ডাক যেন কানে বাজে। নদীর ওই পাড়ে আরও দুর পাড়ে এ যেন
বস্ত্রহীন শীতে কাতর পথো শিশু বালক রাখে না খোঁজ কেহ কোনই মানব। শীতে তারা কাঁপে বলো কি যে বেদনা নিয়ে মুখে তাদের করুন মায়া ব্যাথা লাগে দিলে। আমার তো নাই
সাধনার ধন সাধন করে তুলে আনি বাড়ি, ক’দিন পরেই বিদেশ পাড়ি শখের বউকে ছাড়ি। অর্থ বৃত্তের মালিক হওয়ার স্বপ্ন উঁকি মনে, কত স্মৃতি ভাসে চোখে অশ্রু জলের সনে। ছেলে-মেয়ের পরিচর্যায়
বসন্তকাল সতেজ বাগান, নানা রঙের ফুল। ফাগুনের মুক্ত হাওয়ায় ফুলগুলো, দুলছে দুল দুল। বসন্তের ফুলের শোভায়, শোভিত ফুল বাগান। ভোমরা গুলো বেড়ায় উড়ে, গায় যে সুখের গান। প্রজাপতির মনে ধরেছে,
আমি দেখেছি , ফুলগুলো কিভাবে কেন ঝরে যায়। আমি দেখেছি , কিছু কান্না কেন জমাটবাঁধা অশ্রু হয়। আমি দেখেছি , প্রেমের অসুখেও কেউ সু’সুখে রয় ! আমি দেখেছি , রুমালে
কর্ম বিহীন, কাজ নাই যাদের, সকলেই ডাকে, বেকার তাদের।। চোখ দুটি থাকলেও সবই তার, দেখে ঝাপসা আর ‘অন্ধকার।। চাল নাই, চুলা নাই, নাই ‘আহার, আছে শুধু অভাব আর হাহাকার।। দেশের