বিশ্ব চিঠি দিবস শাহজালাল সুজন সেপ্টেম্বরের এক তারিখে চিঠি দিবস হয়, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রুপ সুধী মহল কয়। কলম আঁচড় খাতার পৃষ্ঠে একই সুতোয় টান, সবাই মিলে চিঠি পড়তো জুড়াতো মন
জনাব-জবান মোঃ রহমত আলী কিছু কথায় মিলে সুখ শান্তি, তো কিছু কথায় হয় দুঃখ প্রাপ্তি, কিছু কথায় কষ্টের আঘাত, তবু কিছু কথায় হিম্মতের আভাস, কিছু কথায় হিংসার বাণী, তাই
জলের ত্রাস এম, আলমগীর হোসেন পাহাড়ি ঢলে সুকৌশলে ভাসায় আমার দেশ, ওরা ভেবেছে এই বুঝি সব হয়ে গেছে শেষ। অতি বারি ক্ষতি ভারী দেয়না পূর্বাভাস, বন্ধু বেশে চারিপাশে শত্রুর বসবাস।
গায়ের পথে আব্দুস সাত্তার সুমন দু’ভাই মিলে ভর দুপুরে মাওনা গায়ের হাটে! গ্রামের পথে হেটে চলে কাদামাখা মাঠে। কত কাজে যেতে হলো গ্রাম থেকে গ্রাম, নাস্তা করে চায়ে ধোঁয়ায় চুমুক
জীব বড়ো -মাহফুজা রহমান যত ফাঁকি ততো ঝুঁকি, জেনো খুকি নয় মেকি! ফাঁকি কাজ ধরে বাজ, করে সাজ বেড়ে রাজ! যাহা করো জমা ধরো, হলে জড়ো পাবে বড়ো! কম হলে
উদাস বাউল শাহজালাল সুজন বাউল চলে মেঠো পথে ক্ষেতের আইল ধরে, একতারা টা হাতে নিয়ে মা মাটির গান স্বরে। কখনো বা নদীর বাঁকে তাল মিলিয়ে চলে, দুঃখ ব্যথা ছন্দ গানে
রূপকথার বাসর এম, আলমগীর হোসেন কথায় নানা রূপ দিয়ে হাসি মজার স্যুপ নিয়ে গল্প দাদুর আসরে, হাতে যত কাজ ফেলে চুপে চুপে যাই চলে রূপকথার সেই বাসরে। বাবা বলে পড়
প্রভাতী সোনালী রোদ্দুর শাহানাজ শিউলী বিবশ অক্ষীতে নেই আষাঢ়ের ঢল আছে চৈত্রের খরা নেত্রের কর্ণে নিবিড় দহন জ্বালা বুকের গহীনে সমাধিস্ত করি পোড়াময় স্বপ্ন হৃদপিণ্ড ছিড়ে পালিয়ে বেড়ায় প্রভাতী ফরসা
স্বার্থে দ্বিমত সোহরাব হোসেন কেমন জানি শহরের চারপাশ এখন প্রায়ই নিস্তব্ধতার বেষ্টনীতে আবদ্ধ! ভাঙা ছেঁড়া জুতা সেন্ডেলে ছেয়ে গেছে শহরের প্রধান রাস্তাগুলো। তিনচাকার ড্রাইভারদের মনে বিরাজমান বেশ থমথমে ভীতি! অর্তকিত
মহররম মাস শাহজালাল সুজন হিজরী সনের নতুন বছর মহররমের মাসে, বুকের ভেতর দুমড়ে মুচড়ে আঁটসাঁট হয়ে হাসে। উমাইয়া আর আব্বাসিয়া খেলে নতুন খেলা কিচ্ছা গল্পের ছড়াছড়ি গা ভাসিয়ে হেলা। মুয়াবিয়ার