1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী সদরে ১৯২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ; আরও বরাদ্দ চাইলেন ইউএনও, নিরুপমা রায় বগুড়া-নওগাঁ সড়কে বেপরোয়া বাসের তাণ্ডব: প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ২০-২৫ জন পটিয়ায়-পর্যটক বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক, ১ লাখ ইয়াবাসহ ৫ মোটরসাইকেল জব্দ তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে রাজবাড়ী সদরের ইউএনও, নিরুপমা রায়; ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান রাজবাড়ী সদর ইউএনও, নিরুপমা রায়ের নেতৃত্বে শহীদ আব্দুল গণি শেখের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন নানা কর্মসূচিতে বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম গোয়ালন্দে ইউএনও সাথী দাসের বিরুদ্ধে ঝাড়ু ও জুতা মিছিল! ফ্যামিলি কার্ড শুমারির পরীক্ষায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

রাজবাড়ীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের নিয়োগে অনিয়ম,

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের নিয়োগে অনিয়ম,

স্টাফ রিপোর্টার :

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ একাধিক সূত্র এমনই এক তথ্য দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো,- স্বজনপ্রীতি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র ফুটে উঠেছে এই নিয়োগে। তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাহমুদ হাসান লিটনের দেয়া ফেসবুক পোস্টে বলা হয়
গোয়ালন্দের বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাসের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে, তা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সেখানে আরো বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার প্রধানতম কর্তব্য হলো স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে উঠে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করা। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, যোগ্য প্রার্থী ও মেধানুক্রমকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে পছন্দসই ব্যক্তিদের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে হাস্যকর ও অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয় হলো—প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষকদের এই পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা। একজন শিক্ষক দৈনিক ক্লাসে পাঠদান করবেন, নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করবেন? এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো শৃঙ্খলা বা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ছিল না; লক্ষ্য ছিল কেবল নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া।

পাশাপাশি, নিয়োগের সময়সূচি ও ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে যে অসচ্ছতা দেখা গেছে, তা গভীর ষড়যন্ত্রের সন্দেহকে আরও জোরালো করে। গত ২৮ তারিখে রাত ১০টা পর্যন্ত ভাইভা গ্রহণ এবং একই দিনে রেজাল্ট প্রস্তুত থাকার পর ৩ তারিখে ফলাফল প্রকাশ করার পেছনের কারণ কী? দীর্ঘ এই ব্যবধান স্পষ্ট করে দেয় যে পর্দার অন্তরালে তালিকা রদবদল ও স্বজনপ্রীতির চক্রান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।

প্রশাসনের এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। দুর্নীতির এই বলয় ভেঙে অবিলম্বে বিতর্কিত ফলাফল বাতিল করতে হবে এবং একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে যোগ্য ও প্রকৃত প্রার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD