1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চুরির রহস্য উদঘাটন, তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২ গুড়ায় বাড়ছে যমুনার পানি, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি পবায় নিমগাছের চারা রোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু রাজশাহীতে পদ্মার পানি ঊর্ধ্বমুখী রাজশাহীতে আধুনিক কসাইখানা ও চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নে নতুন উদ্যোগ মাধবপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৬টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, আটক ১ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে রাজশাহী মহানগর বিএনপির শোক পালন রাসিক প্রশাসক মহোদয়কে বিভিন্ন প্রজাতির আম উপহার প্রদান ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে নতুনভাবে সাজানো হবে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মেহেরপুরে সরকারি সার পাচার মামলায় কারাগারে বিএনপি নেতা

গুড়ায় বাড়ছে যমুনার পানি, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

মোঃ আব্দুল আলীম জেলা প্রতিনিধি বগুড়াঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ, কামারপাড়া, কাজলা ইউনিয়নের চরঘাগুয়া এবং কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা ও গোদাখালি এলাকায় যমুনার পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকায় নদীভাঙনের ফলে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সোনাতলা উপজেলার বালুয়াপাড়া, সুজাতপুর, তোকানিচুকাইনগর, ভিগনেরপাড়া, আমতলী ও আচারেরপাড়া এবং ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ী এলাকায়ও তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, যমুনা নদীর বুকে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির তীব্র স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
এতে সরাসরি আঘাত হানছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।
নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, পানি বৃদ্ধি ও অব্যাহত নদীভাঙনে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভাঙন রোধে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের ভাষ্য, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরই নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারাতে হবে।
এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বালুভর্তি জিও-ব্যাগ ফেলছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক এই ব্যবস্থা নদীভাঙন রোধে যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD