1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভিডিওকলে কবিরাজি, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত তান্ত্রিক প্রতারক চক্র গাছ লাগানোর আহ্বান ইউএনও, মনিষা রানী কর্মকারের, শিবালয়ে ৮০০ ফলজ চারা বিতরণ ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব, হাসপাতালে ছুটে গেল প্রশাসন দায়িত্ব নেবে সরকার। আমার আপন কেউ নেই- নন্দীগ্রাম পৌরসভার সোয়া কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার কাজ, লাখো কর্মসংস্থানের আশা রাজবাড়ী খানখাপুর ট্রেন-ফরিদপুর বাস-মাহেন্দ্রর ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৭ পাঁচ জেলা নিয়ে বগুড়াকে বিভাগ ঘোষণা করা হচ্ছে আধুনিক মহানগর গড়তে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নাকি ডিপ স্টেটের পরবর্তী পদক্ষেপের বাস্তবায়ন?

বাদামের ফলন ভালো না হওয়ায় হতাশ কৃষক। দৈনিক নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪
  • ২৪০ বার পঠিত

বাদামের ফলন ভালো না হওয়ায় হতাশ কৃষক

জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
কৃষ্ণ কুমার সরকার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মার চরে বাদাম তোলা, পরিষ্কার করা, শুকানো ও বিক্রির কাজে ব্যস্ত সময় পার করলেও ফলন ও দাম ভালো না হওয়ায় হতাশ চাষিরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে গোয়ালন্দে ১৯০ হেক্টরে বাদামের চাষ হয়েছে। অতিরিক্ত খরা ও আগাম বন্যার কারণে অপরিপক্ব বাদাম তুলে ফেলায় কাক্সিক্ষত দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা।

সরেজমিনে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর চর, ধোপাকাদি, ইসাইল সিলিমপুর ও সাত্তার মেম্বার পাড়া চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেক কৃষক তাদের জমি থেকে বাদাম তুলছেন। কেউ আবার জমি থেকে বাদাম তুলে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের পাশে গাছ থেকে বাদাম পরিষ্কার করছেন ও শুকিয়ে আঁটি করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।

কাঁচাবাদাম পরিষ্কার করতে ব্যস্ত এক কৃষাণী আলেয়া বেগম বলেন, এবার আমাদের সব শেষ। ধার-দেনা করে বাদামের চাষ করেছিলাম। বাদামে লাভ হলে তাদের দেনা পরিশোধ করব বলে। এখন তো আমাদের খরচের টাকাই উঠে নাই, দেনা পরিশোধ করব কীভাবে।

কৃষক ইউনুস খাঁ, চাঁন মিয়া, শুকুর খাঁ, মাহি খাঁ বলেন, বাদাম চাষে খরচ হয়েছে প্রতিবিঘায় ২০ হাজার টাকা। এবার প্রতিবিঘা জমিতে বাদাম হয়েছে ৪-৫ মণ, অনেক জমিতে তারও কম। যা বিগত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। ৩ হাজার টাকা মণ দরে বাজারে বাদাম বিক্রি হচ্ছে (প্রকারভেদে কম ও বেশি)। সে হিসাবে ৩ হাজার টাকা দরে সর্বোচ্চ ৫ মণ বাদাম ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করছি। খরচের টাকাও আমাদের উঠছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ খোকন উজ্জামান বলেন, এবার অতিরিক্ত খরা ও আগাম বন্যার কারণে বাদাম অপরিপক্ব থাকতেই তুলে ফেলা হয়েছে। ফলে কাক্সিক্ষত ফলন পাওয়া যায়নি। আগামীতে অনাবাদি জমি কীভাবে বাদাম চাষের আওতায় আনা যায় সে লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD