1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নাকি ডিপ স্টেটের পরবর্তী পদক্ষেপের বাস্তবায়ন? দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য কাটিয়ে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক সেমিনার বার্ষিক পরিদর্শনে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন পাকা রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে বদলা পাড়াবাসী রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আহত অন্তত ১০ ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে রাসিক প্রশাসকের উদ্যোগ, রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে উন্নয়ন বৈষম্য, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিল্পায়নের ধীরগতি এবং কর্মসংস্থানের সংকটে পিছিয়ে ছিল নীলফামারীতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু রাজশাহীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজশাহীতে বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নাকি ডিপ স্টেটের পরবর্তী পদক্ষেপের বাস্তবায়ন?

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত

লিখেছেন হাবিবুর রহমানঃ

যে কোনো বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করলেও আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময় দুটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সমালোচনার বাইরে রাখার চেষ্টা করেছি— রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান।
কারণ, এই দুটি পদ রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার প্রতীক। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকা জরুরি।

তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু) অন্যতম বিতর্কিত ব্যক্তি। তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়াও সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিল না। বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনায় এমন দাবিও এসেছে যে, তাঁকে রাষ্ট্রপতি করার প্রশ্নে ক্ষমতাসীন দলের ভেতরেও শুরুতে দ্বিধা ছিল; বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাঁকে নিয়োগ দিতে চাননি। তবে মানি মেকারদের ক্ষমতা ও পারিবারিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বসাতে হয়েছিল।

শুরুতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করলেও সময়ের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও বক্তব্য নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। স্বপদে টিকে থাকতে তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মাড়িয়ে জাতীয়তাবাদের শিবিরে হালকা বিরতি দিয়ে জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করতে দেখা গেছে। তারপরও তিনি পূর্ণ সাংবিধানিক মেয়াদ শেষ করতে পারবেন কি না—এ প্রশ্নও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে।

আমার বিশ্লেষণে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, নির্বাচন ও সরকার গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রাষ্ট্রপতি পদটি বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর এখন রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হচ্ছে।

এরপর রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে পারে সেনাপ্রধানের বিষয়টিও। যদিও বর্তমান সেনাপ্রধানের মেয়াদ আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত রয়েছে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে দায়িত্বে থাকা সেনাপ্রধানকে অপসারণের নজির কার্যত নেই। তাই বিশেষ কোনো অসাধারণ পরিস্থিতি তৈরি না হলে এ বিষয়ে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মনে হয় না।

আমার দৃষ্টিতে, রাষ্ট্রের এসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পেশাদার নিরপেক্ষ অবস্থানের পরিবর্তে রাজনৈতিক কার্যসিদ্ধির অংশ হিসেবে কাজ করেছে, আর আজ তারই মূল্য দিচ্ছে এ দেশের সাধারণ জনতা।

রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে যে, সরকার গঠনের ৬–১৩ মাসের মধ্যেই বিএনপি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে।
এখন প্রশ্ন—পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে?
যদি বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. মঈন খান অথবা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মতো দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের মধ্য থেকে কাউকে মনোনীত করে, সেটি হবে বিএনপির রাজনৈতিকভাবে একটি স্বাভাবিক ও শক্তিশালী সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে, তারা যদি রাজনৈতিক নেতৃত্বের বাইরে কোনো আমলা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বা এনজিও-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এ পদে নিয়ে আসে, তাহলে সেটি বিএনপির জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত হলে বিরোধী, সমালোচক ও বিশ্লেষকরা আরও জোরালোভাবে প্রশ্ন তুলবেন যে, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো কি সত্যিই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিচ্ছে? নাকি অন্য কোনো প্রভাবশালী পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে?

এখন দেখার বিষয়, বিএনপির রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থেকে আসে, নাকি নতজানু নীতি থেকে আসে?

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD