বাদামের ফলন ভালো না হওয়ায় হতাশ কৃষক
জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী
কৃষ্ণ কুমার সরকার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মার চরে বাদাম তোলা, পরিষ্কার করা, শুকানো ও বিক্রির কাজে ব্যস্ত সময় পার করলেও ফলন ও দাম ভালো না হওয়ায় হতাশ চাষিরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে গোয়ালন্দে ১৯০ হেক্টরে বাদামের চাষ হয়েছে। অতিরিক্ত খরা ও আগাম বন্যার কারণে অপরিপক্ব বাদাম তুলে ফেলায় কাক্সিক্ষত দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা।
সরেজমিনে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর চর, ধোপাকাদি, ইসাইল সিলিমপুর ও সাত্তার মেম্বার পাড়া চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেক কৃষক তাদের জমি থেকে বাদাম তুলছেন। কেউ আবার জমি থেকে বাদাম তুলে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের পাশে গাছ থেকে বাদাম পরিষ্কার করছেন ও শুকিয়ে আঁটি করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন।
কাঁচাবাদাম পরিষ্কার করতে ব্যস্ত এক কৃষাণী আলেয়া বেগম বলেন, এবার আমাদের সব শেষ। ধার-দেনা করে বাদামের চাষ করেছিলাম। বাদামে লাভ হলে তাদের দেনা পরিশোধ করব বলে। এখন তো আমাদের খরচের টাকাই উঠে নাই, দেনা পরিশোধ করব কীভাবে।
কৃষক ইউনুস খাঁ, চাঁন মিয়া, শুকুর খাঁ, মাহি খাঁ বলেন, বাদাম চাষে খরচ হয়েছে প্রতিবিঘায় ২০ হাজার টাকা। এবার প্রতিবিঘা জমিতে বাদাম হয়েছে ৪-৫ মণ, অনেক জমিতে তারও কম। যা বিগত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। ৩ হাজার টাকা মণ দরে বাজারে বাদাম বিক্রি হচ্ছে (প্রকারভেদে কম ও বেশি)। সে হিসাবে ৩ হাজার টাকা দরে সর্বোচ্চ ৫ মণ বাদাম ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করছি। খরচের টাকাও আমাদের উঠছে না।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ খোকন উজ্জামান বলেন, এবার অতিরিক্ত খরা ও আগাম বন্যার কারণে বাদাম অপরিপক্ব থাকতেই তুলে ফেলা হয়েছে। ফলে কাক্সিক্ষত ফলন পাওয়া যায়নি। আগামীতে অনাবাদি জমি কীভাবে বাদাম চাষের আওতায় আনা যায় সে লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM