1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বগুড়ায় আমের বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে ক্রেতাদের অস্বস্তি বালিয়াকান্দিতে ৬৬ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে পোশাক সামগ্রী ও বাইসাইকেল বিতরণ বাগমারা’য় বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে জ্বালানি মন্ত্রীর নিকট এমপি আব্দুল বারীর আবেদন। সাংবাদিককে হত্যার ছক- পিঠে বোমা মেরে জীবন কেড়ে নেওয়ার বর্বরোচিত চেষ্টা সামাজিক মাধ্যমে বয়কটের আলোচনা, বাস্তবে ভিসা সেন্টারে উপচে পড়া ভিড়: রাজশাহীতে ভারতগামীদের দীর্ঘ সারি লোডশেডিংয়ের সময় ছাদ থেকে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জিপিও কর্মচারী ইউনিয়নের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক মাধ্যমে বয়কটের আলোচনা, বাস্তবে ভিসা সেন্টারে উপচে পড়া ভিড়: রাজশাহীতে ভারতগামীদের দীর্ঘ সারি। লোডশেডিংয়ের সময় ছাদ থেকে পড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু।

গোয়ালন্দে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব দুটি পরিবারের ঠাঁই খোলা আকাশের নিচে, মানবেতর দিনাতিপাত, সাহায্যের আবেদন

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

গোয়ালন্দে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব দুটি পরিবারের ঠাঁই খোলা আকাশের নিচে, মানবেতর দিনাতিপাত, সাহায্যের আবেদন

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধিঃ

রাজবাড়ির গোয়ালন্দে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে হতদরিদ্র আমিরুল শেখ (২৬) ও তার খালা মিনু বেগম (৬০)।

বসবাসের একমাত্র ঘর পুড়ে যাওয়ায় অসহায় পরিবার দুটির ৫ জন সদস্য খেয়ে না খেয়ে এক কাপড়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

গত মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) দুপরে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বদন মৃধা পাড়ায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিন আলাপকালে বিধবা মিনু বেগম জানান, তার স্বামী সন্তান নাই। নিজে ভিক্ষা করে বৃদ্ধা মা ভানু বেগমের (৮০) সঙ্গে কোন মতে দিনাতিপাত করছি। রাতে রাস্তার পাশে আমার এই ছাপড়া ঘরটিতে মা-মেয়ে ঘুমাতাম। কিন্তু গতকাল তা পুড়ে যাওয়ার পর শূন্য ভিটেতেই গতরাত কাটিয়েছি। পরনে গতকালেরই ভিজে কাপড়। আর কোন পোশাক নাই। দুইদিন বাড়িতে রান্নাও বন্ধ।

আমিরুলের মা আমেনা বেগম জানান, তার ছেলে গ্রামে গ্রামে ঘুরে পুরোনো ভাঙাচোরা জিনিসপত্র সংগ্রহ করে। দিনশেষে তা বিক্রি করে কোন মতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে চলে যাচ্ছে। আগুনে বসবাসের একমাত্র ঘরটি পুড়ে যাওয়ায় শূন্য ভিটেতেই গতরাত কাটিয়েছে। আজ ওরা গেছে এক গ্রামে ঘর মেরামতের জন্য কিছু সংগ্রহ করতে।

তিনি আরো বলেন, হাতে কোন টাকা পয়সা নাই। ঘরেও কোন খাদ্য সামগ্রী নাই। নতুন করে ঘর তুলবে সেই সামর্থ্যও নাই। দশজনের সাহায্য ছাড়া এখন আমাদের কোন উপায় নেই। এ পর্যন্ত কোন জায়গা থেকে কোন ধরনের সাহায্য সহযোগিতাও কেউ দেয়নি।

স্হানীয় সমাজকর্মী আবুল হোসেন জানান, হতদরিদ্র পরিবার দুটির জন্য জরুরি ভিত্তিতে মানবিক সহযোগিতা প্রয়োজন। এ জন্য তিনি সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।

গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সাব-অফিসার মোঃ আব্দুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু তার বাড়ি থাকা আসবারপত্র ও মালা মাল আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে পাশে খালেক নামে একজনের ভুসিমালের গোডাউন ছিলো। আমরা দ্রুত সময়ের মাঝে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার কারণে সেই গোডাউনে থাকা অন্তত ২০ লক্ষ টাকার মালামাল রক্ষা পায়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD