পরিণয় শাহজালাল সুজন বিয়ে হলো প্রভুর হাতে দুই আত্মাতে রয়, গড়ে সংসার মায়াডোরে ধর্মের বিধান কয়। কলিযুগে বিয়ের ধরণ হরেক কিসিম সাজ, কেউবা সুখে দিনাতিপাত কারো কপাল ভাঁজ। চারটি গুণের
পাখি বিধান চন্দ্র দেবনাথ সকাল বেলা পাখির ডাকে ভেঙ্গে যাবে ঘুম, বেলা ওঠার সাথে সাথে কাজের পড়ে ধুম। গাছে গাছে পাখি ডাকে কিচির মিচির সুরে, দলে দলে উড়ে উড়ে ফিরে
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর আলমগীর হোসেন বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর সকাল বিকাল কিংবা দুপুর, বর্ষাকালে টিনের চালে বৃষ্টি ঝরে মিষ্টি মধুর। নূপুর পায়ে বৃষ্টি মেয়ে রিনিঝিনি নেচে গেয়ে, সারাটা
ভালোবাসার রং আব্দুস সাত্তার সুমন ভালোবাসার রংধনুতে লাল গোলাপের মালা, স্রোতে আসে উথাল পাথাল হাজার রঙের তালা। গভীর রাতের আলো জ্বেলে প্রেমের আলাপনে, ভালোবাসার রঙের সারি তৈরি করে মনে। প্রসাধনী
পরিণয় শাহজালাল সুজন বিয়ে হলো প্রভুর হাতে দুই আত্মাতে রয়, গড়ে সংসার মায়াডোরে ধর্মের বিধান কয়। কলিযুগে বিয়ের ধরণ হরেক কিসিম সাজ, কেউবা সুখে দিনাতিপাত কারো কপাল ভাঁজ।
অনবরত মহসিন আলম মুহিন সর্বদা প্রফুল্ল চিত্তে চলতে পারলে লাগে ভালো, কিন্তু, তা যায় কি চলা অনবরত আসে কালো।। অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়লে মিষ্টি মধুর লাগে ক্ষণ, দুঃখ
আরবি নববছর আব্দুস সাত্তার সুমন চলে গেল হিজরি মাসের ১৪৪৫ গত করে, মহররমের পদার্পণে সন্ধ্যা নামার পরে। পুরাতন যায় নতুন বছর মুহাররমের মাসে, ১৪৪৬ নববছর ভালো কিছু আসে। আরবি মাসের
বর্ষায় প্রেমের কবিতা বিনয় দেবনাথ কবির কবিতা প্রেম পথে পথে হাটে কবি দুচোখ ভরে কবিতা নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে- কত ইন্দ্রিয় কবিতা লিখার ভাষা সম্মোহনে বিচিত্র দৃশ্যে সাজে। অশ্রু জলে
খুকির প্রশ্ন আব্দুস সাত্তার সুমন আব্বু তুমি কেন লিখ কবিতা যে এত! এত লেখা লেখে কি বা টাকা আনবে কত? তোমার লেখা কারা পড়ে বুঝিনা যে আমি, উপহারে ঘর ভরেছো
ঘোড়া দৌড় শাহজালাল সুজন টগবগিয়ে চলছে ঘোড়া কান দুটো তার খাড়া, ঘোড় সওয়ারি চাবুক কষে করছে জোরে তাড়া। হ্রেষা করে ডাকে ঘোড়া ঘুঙুর বাজে গলে, উৎসাহ পায় ঘোড় সওয়ারি