1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ২ জন গ্রেপ্তার। পাঁচবিবি সীমান্ত পাহাড়ায় বিজিবির সঙ্গে আনসার ও গ্রাম পুলিশ।

ইচ্ছে ও বাধ্যবাধকতা

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৭ বার পঠিত

সাবিত রিজওয়ান

তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়। কিন্তু তুফান এবং তার কয়েকজন সহপাঠীর ক্ষেত্রে নিয়োগের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল—২০ জন ট্রেইনির মধ্যে তুফানসহ সাতজনই প্রস্তাবিত কোম্পানিতে চাকরি করতে চাইছিল না।

ট্রেনিং শেষে সবাই ছয় দিনের বিশ্রাম পায়। চাকরিতে যাওয়ার দিন, ২০ জনের মধ্যে চারজন আর সেন্টারে উপস্থিত হয় না। কিন্তু তুফানকে অবশ্যই আসতে হয়। বাড়ি থেকে ট্রেনিং সেন্টার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হলেও তাকে যাতায়াত করতে হয়।

তুফানসহ তিনজন ট্রেইনার ট্রেইনিং কর্মকর্তাদের জানায়,
“স্যার, আমরা এই কোম্পানিতে চাকরি করতে পারব না। রাতের ডিউটি আমাদের জন্য সম্ভব নয়, আর যে বেতন দেওয়া হবে, তা দিয়ে আমাদের চলবে না। এছাড়া আমরা কিছুটা অসুস্থও।”

সত্যিই, তুফান এবং হাসান দুজনই অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু ট্রেইনাররা এ কথাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে তাদের নিয়ে ঢাকা—উত্তর বাড্ডায় কোম্পানির একটি অফিসে ইন্টারভিউ-এর জন্য নিয়ে যায়। ইন্টারভিউ শেষে একজন রাগ করে চলে যায় এবং চাকরি করতে অস্বীকার করে। বাকি ১৫ জনকে নরসিংদীর কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কোম্পানিতে পৌঁছেও তারা দুইজন ট্রেইনারকে জানায়,
“স্যার, আমরা এখন চাকরি করতে পারব না। আমাদেরও তো ইচ্ছে থাকা উচিত।”

৩০–৪০ মিনিটের আলোচনার পর, তুফান, হাসান এবং ট্রেইনাররা তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে হাসান রওনা হয় দিনাজপুরের দিকে।

গল্পটি শেষ হলেও তুফানদের এই পরিস্থিতি আমাদের শেখায়—জীবনে কখনও কখনও বাধ্যবাধকতার সঙ্গে ইচ্ছের সংঘাত ঘটতে পারে, এবং সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সাহসের দরকার হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD