1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
“শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন আলোড়ন সুপার নাইন” সুজানগরের মথুরাপুরে পুলিশের চিরুনি অভিযান, মহিলাসহ গ্রেফতার ১১ আদমদীঘির সান্তাহারে চিহ্নিত মাদক কারবারি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার রায়পুরে গৃহবধু কে গ্রাম পুলিশ কর্তৃক উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় চাচা শ্বশুর কে মারধর রাজশাহী পলিটেকনিকে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন রাজশাহীতে ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও আমাদের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাগমারায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ডিশ ব্যবসা দখলের অভিযোগ ভুক্তভোগী নারীর: সংবাদ সম্মেলন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ: আজিজনগরে ২০০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিতরণ রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিক হোসেন শুভর দাফন সম্পন্ন রাজশাহীতে ‘ইয়োর জার্নি টু হিলিং ইন চায়না’ শীর্ষক সেমিনার

ইচ্ছে ও বাধ্যবাধকতা

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮৩ বার পঠিত

সাবিত রিজওয়ান

তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়। কিন্তু তুফান এবং তার কয়েকজন সহপাঠীর ক্ষেত্রে নিয়োগের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল—২০ জন ট্রেইনির মধ্যে তুফানসহ সাতজনই প্রস্তাবিত কোম্পানিতে চাকরি করতে চাইছিল না।

ট্রেনিং শেষে সবাই ছয় দিনের বিশ্রাম পায়। চাকরিতে যাওয়ার দিন, ২০ জনের মধ্যে চারজন আর সেন্টারে উপস্থিত হয় না। কিন্তু তুফানকে অবশ্যই আসতে হয়। বাড়ি থেকে ট্রেনিং সেন্টার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হলেও তাকে যাতায়াত করতে হয়।

তুফানসহ তিনজন ট্রেইনার ট্রেইনিং কর্মকর্তাদের জানায়,
“স্যার, আমরা এই কোম্পানিতে চাকরি করতে পারব না। রাতের ডিউটি আমাদের জন্য সম্ভব নয়, আর যে বেতন দেওয়া হবে, তা দিয়ে আমাদের চলবে না। এছাড়া আমরা কিছুটা অসুস্থও।”

সত্যিই, তুফান এবং হাসান দুজনই অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু ট্রেইনাররা এ কথাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে তাদের নিয়ে ঢাকা—উত্তর বাড্ডায় কোম্পানির একটি অফিসে ইন্টারভিউ-এর জন্য নিয়ে যায়। ইন্টারভিউ শেষে একজন রাগ করে চলে যায় এবং চাকরি করতে অস্বীকার করে। বাকি ১৫ জনকে নরসিংদীর কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কোম্পানিতে পৌঁছেও তারা দুইজন ট্রেইনারকে জানায়,
“স্যার, আমরা এখন চাকরি করতে পারব না। আমাদেরও তো ইচ্ছে থাকা উচিত।”

৩০–৪০ মিনিটের আলোচনার পর, তুফান, হাসান এবং ট্রেইনাররা তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে হাসান রওনা হয় দিনাজপুরের দিকে।

গল্পটি শেষ হলেও তুফানদের এই পরিস্থিতি আমাদের শেখায়—জীবনে কখনও কখনও বাধ্যবাধকতার সঙ্গে ইচ্ছের সংঘাত ঘটতে পারে, এবং সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সাহসের দরকার হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD