1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

রাজশাহী-৩ : লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত

রাজশাহী-৩ : লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে।

মোস্তাফিজুর রহমান রানা, পবা প্রতিনিধি, রাজশাহী 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন-খন ঠিক না হলেও রাজশাহীতে লেগেছে নির্বাচনের হাওয়া। জেলার ছয়টি আসনেই তৎপর হয়ে উঠেছেন বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তবে নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বেশি তৎপর রয়েছে বিএনপি ও জামায়াত। জেলার অন্য আসনগুলোর মতো রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনেও নির্বাচন কেন্দ্রিক দলীয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠে হওয়ার কারণে যে কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে এ আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে গঠিত এ আসনে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মেরাজ উদ্দিন মোল্লা (প্রয়াত)। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালে একই দলের আয়েন উদ্দিন সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে এমপি হন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।

এবার এ আসনটিতে বিএনপির তিনজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রায়হানুল ইসলাম রায়হান এবং সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত অ্যাডভোকেট কবির হোসেনের ছেলে নাসির হোসেন অস্থির।

এ আসনটিতে জামায়াত এখনো তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। তবে হড়গ্রাম ইউনিয়নের টানা ৫ বারের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা সুরা কর্মপরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের ব্যানার ফেস্টন রয়েছে নির্বাচনী এলাকায়। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে এ আসনে তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে পবা ও মোহনপুরের এ আসনটিতে রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন বিএনপির অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মিলন এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে আরও যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন।

ছাত্রদলের মাধ্যমেই মিলনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ছিলেন ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস। এরপর দীর্ঘ সময় রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রহণযোগ্যতার কারণে তিনি মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি থেকে খুব দ্রুত মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন। সর্বশেষ দলের কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যেই তিনি পবা-মোহনপুরের তৈরি করেছেন নিজের শক্ত অবস্থান।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মনোনয়নের ব্যাপারে মিলন বলেন, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল। দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরিস্থিতি পাল্টেছে। আমরা আশা করছি, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটিই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করছি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আশা করছি, এবারও দলের নীতিনির্ধারণী মহল আমাকে মনোনয়ন দেবেন।

এদিকে, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রায়হানুল আলমও দীর্ঘ সময় ধরে ছাত্র রাজনীতি করেছেন। তিনি দীর্ঘ দিন রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন দীর্ঘদিন। গত দুইটি সংসদ নির্বাচনে তিনি এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তিনিও দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

রায়হানুল আলম বলেন, পবা আমার জন্মস্থান। আমি সব সময় পবা ও মোহনপুরবাসীর সুখে-দুখে পাশে আছি। এ আসনে ২০১৮ সালে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম। কিন্তু পাইনি। আশা করছি, দল সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে এবার আমাকে মনোনয়ন দেবে।

শফিকুর হক মিলন ও রায়হানুল আলম এছাড়াও এ আসনটিতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত অ্যাডভোকেট কবির হোসেনের ছেলে নাসির হোসেন অস্থির। তিনিও বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ আসনটিতে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি জামায়াত। তবে দলটি সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করছেন। দোয়া চাইছেন। নিয়মিত দলীয় কর্মসূচির মাধ্যমে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে তৎপর রয়েছে দলটি। বিশেষ করে হড়গ্রাম ইউনিয়নের ঢানা ৫ বারের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর কাশিয়াডাঙ্গা থানা সুরা কর্মপরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের ব্যানার ফেস্টন রয়েছে নির্বাচনী এলাকায়।

পবার হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, জামায়াত একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠন। দলীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া আমাদের নেতারা অগ্রিম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন না। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য সব প্রস্তুতি আছে। আমাদের নেতাকর্মীরা সম্মিলিতভাবে সে কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। সঠিক সময়ে এ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। দলের নীতিনির্ধারণী মহল মনোনয়নের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD