1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন, জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় জেলা বিএনপির অনুষ্ঠান বর্জন বাঘারপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত “ বগুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বেনাপোল ও শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকার পণ্য জব্দসহ আটক ২ যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার মশিয়াহাটীর হেলারঘাট এলাকায় নদীর থেকে রঞ্জন মণ্ডল (৬০) নামে এক ঘের ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ বগুড়া পাঁচবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঐতিহ্যবাহী পাতা খেলা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে মুগ্ধ দর্শক, ঐতিহ্য ফিরে পেলো গ্রামবাংলা ফুলবাড়ীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন: নানা আয়োজনে স্মরণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নড়াইলে দুইদিনব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী দিনে জাতীয় নারী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা নড়াইলে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন ফুলবাড়ীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন: বিএনপি নেতৃবৃন্দের রাজনৈতিক শক্তির মহড়া

ইচ্ছে ও বাধ্যবাধকতা

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯৬ বার পঠিত

সাবিত রিজওয়ান

তুফান একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাস ধরে কঠোর ট্রেনিং সম্পন্ন করেছিল। ট্রেনিং শেষে সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও ট্রেইনাররা ট্রেইনিদের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরিতে পাঠাতেন, যাতে তারা বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়। কিন্তু তুফান এবং তার কয়েকজন সহপাঠীর ক্ষেত্রে নিয়োগের পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল—২০ জন ট্রেইনির মধ্যে তুফানসহ সাতজনই প্রস্তাবিত কোম্পানিতে চাকরি করতে চাইছিল না।

ট্রেনিং শেষে সবাই ছয় দিনের বিশ্রাম পায়। চাকরিতে যাওয়ার দিন, ২০ জনের মধ্যে চারজন আর সেন্টারে উপস্থিত হয় না। কিন্তু তুফানকে অবশ্যই আসতে হয়। বাড়ি থেকে ট্রেনিং সেন্টার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে হলেও তাকে যাতায়াত করতে হয়।

তুফানসহ তিনজন ট্রেইনার ট্রেইনিং কর্মকর্তাদের জানায়,
“স্যার, আমরা এই কোম্পানিতে চাকরি করতে পারব না। রাতের ডিউটি আমাদের জন্য সম্ভব নয়, আর যে বেতন দেওয়া হবে, তা দিয়ে আমাদের চলবে না। এছাড়া আমরা কিছুটা অসুস্থও।”

সত্যিই, তুফান এবং হাসান দুজনই অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু ট্রেইনাররা এ কথাগুলো গুরুত্ব না দিয়ে তাদের নিয়ে ঢাকা—উত্তর বাড্ডায় কোম্পানির একটি অফিসে ইন্টারভিউ-এর জন্য নিয়ে যায়। ইন্টারভিউ শেষে একজন রাগ করে চলে যায় এবং চাকরি করতে অস্বীকার করে। বাকি ১৫ জনকে নরসিংদীর কোম্পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কোম্পানিতে পৌঁছেও তারা দুইজন ট্রেইনারকে জানায়,
“স্যার, আমরা এখন চাকরি করতে পারব না। আমাদেরও তো ইচ্ছে থাকা উচিত।”

৩০–৪০ মিনিটের আলোচনার পর, তুফান, হাসান এবং ট্রেইনাররা তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে হাসান রওনা হয় দিনাজপুরের দিকে।

গল্পটি শেষ হলেও তুফানদের এই পরিস্থিতি আমাদের শেখায়—জীবনে কখনও কখনও বাধ্যবাধকতার সঙ্গে ইচ্ছের সংঘাত ঘটতে পারে, এবং সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সাহসের দরকার হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD