1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভিডিওকলে কবিরাজি, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত তান্ত্রিক প্রতারক চক্র গাছ লাগানোর আহ্বান ইউএনও, মনিষা রানী কর্মকারের, শিবালয়ে ৮০০ ফলজ চারা বিতরণ ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব, হাসপাতালে ছুটে গেল প্রশাসন দায়িত্ব নেবে সরকার। আমার আপন কেউ নেই- নন্দীগ্রাম পৌরসভার সোয়া কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার কাজ, লাখো কর্মসংস্থানের আশা রাজবাড়ী খানখাপুর ট্রেন-ফরিদপুর বাস-মাহেন্দ্রর ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৭ পাঁচ জেলা নিয়ে বগুড়াকে বিভাগ ঘোষণা করা হচ্ছে আধুনিক মহানগর গড়তে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নাকি ডিপ স্টেটের পরবর্তী পদক্ষেপের বাস্তবায়ন?

রাজশাহীর আম চাষিদের হতাশা ভালো ফলন বাজারে নেই দাম

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ১৭১ বার পঠিত

 

মোস্তাফিজুর রহমান রানা পবা প্রতিনিধি, রাজশাহীঃ

 

এবার রাজশাহীতে আমের ফলন ভালো হলেও বাজারে নেই তেমন দাম। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে আমের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। অতিরিক্ত গরম, ঈদের দীর্ঘ ছুটি আর বাজারে ব্যাপারীদের অনুপস্থিতি- সব মিলিয়ে আমের বাজারে নেমেছে ধস।

রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর বাজারে বণিক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান মতি জানান, অতিরিক্ত গরমে একসঙ্গে পেকে গেছে বিভিন্ন জাতের আম। ঈদের পরে ঢাকার ব্যাপারীরা না আসায় বাজারে ক্রেতার চেয়ে আম বেশি। ফলে দাম পড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

 

রাজশাহী কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৬০ হাজার ৬ টন উৎপাদন এবং বাজার মূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট বাজারের আড়তদার সাহেব আলী বলেন,

এই মুহূর্তে হিমসাগর বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২৫০ টাকা মণে, যা কেজিতে পড়ে মাত্র ৪৩ টাকা। গতবার যা ছিল অনেক বেশি।

বাজারে ভালো মানের হিমসাগর বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা মণে, আর নিম্নমানের আম ১৬০০ টাকা মণে। ল্যাংড়া বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকায়।

 

চাষিরা বলছেন, ঈদের ছুটি, গরমে আগাম পাকা আম, এবং অনলাইন ক্রেতাদের অনুপস্থিতি- সব মিলিয়ে দাম কমেছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত।

 

অন্যদিকে, আমের নতুন রাজধানীখ্যাত নওগাঁয় জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময়ের আগেই বাজারে এসেছে আম্রপালি ও অন্যান্য জাতের আম। এতে করে আমের সরবরাহ বেড়েছে কয়েকগুণ, অথচ চাহিদা নেই তেমন।

নওগাঁর বাজারে ল্যাংড়া বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা মণে, আম্রপালি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা, আর নাক ফজলি ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে। অথচ গত বছর এই সময় এসব আমের দাম ছিল দ্বিগুণের কাছাকাছি।

সাপাহার আম বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সময়ের আগেই আম বাজারে উঠেছে, দাম ঠিকমতো পাওয়া গেছে মাত্র প্রথম চার-পাঁচ দিন। এরপরেই শুরু হয় দরপতন।

চাষিদের দাবি, সরকারিভাবে বাজার ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ সুবিধা ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা গেলে এমন লোকসান এড়ানো যেত।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD