1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন

ইবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ১৯০ বার পঠিত

ইবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত।

তারিকুল ইসলাম, ইবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪ পালন করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রশাসন ভবন চত্বর হতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের নেতৃত্বে একটি আনন্দ‌ র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব” মুর‌্যাল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে “শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, হল, সকল পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ, ফোরাম এবং অন্যান্য সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূইয়া, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসান।

সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, আজকের এ শিশু দিবসে চিত্রাঙ্কন, বক্তব্য ও রচনা প্রতিযোগিতা করা হচ্ছে, যার কারণ চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে আজকের শিশুরা জানতে পারবে বঙ্গবন্ধু শিশুকালে কেমন ছিল, বক্তব্য ও রচনার মাধ্যমে জানতে পারবে কেন আমরা বাংলায় কথা বলি, কেন আমরা উর্দুতে কথা বলছি না, কি কারণে আমরা বাংলাদেশ বলতে পারি ও বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে পারি এবং কেন আজকের দিনটিকে শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সবকিছুই চিত্রাঙ্কন, বক্তৃতা এবং রচনার মাধ্যমে আজকের শিশুরা জানতে পারবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, আজ বাঙ্গালির স্বপ্নদ্রষ্টার জন্মদিন। ১৯২০ সালে বিধাতা হয়তো অন্ধকারে এ মানুষটার জন্ম দিয়ে বাংলাদেশকে আলোকিত করতে চেয়েছিলেন। আমি খুব অবাক হই যে এত অল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু তার অর্জনের স্বর্ণ শিখরে পৌঁছে গেছেন। ডিজিটাল বলি, স্মার্ট বলি সবই জাতির জনকের চিন্তার ফসল।

তিনি আরও বলেন, একটা জাতিকে যুদ্ধের মাঝ দিয়ে জন্ম দিয়ে, ধ্বংস থেকে টেনে তুলে আগামী ভবিষ্যতে কোন দিকে হাঁটবে তা বঙ্গবন্ধুর চিন্তার বাইরে আমরা নতুন করে নির্ধারণ করতে পারিনাই। বঙ্গবন্ধুকে চেনা, বঙ্গবন্ধুকে পড়া জানা বোঝা ও চর্চার এই উদ্যোগ গুলোর সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় থাকবে বলে আমরা অঙ্গীকার করছি।

আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ভাষণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD