1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

রাবিতে ছিনতাইকারীকে গণধোলাই। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ১৮৯ বার পঠিত

রাবিতে ছিনতাইকারীকে গণধোলাই।

মাসউদ রহমান সৌরভ,রুয়েট প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছিনতাইকারীকে গণধোলাই দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা এক নারী শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন ছিনতাই করে পালানোর সময় শিক্ষার্থীদের হাতে নাতে ধরা পরে গণধোলাই খান ওই ছিনতাইকারী।
গণধোলাইয়ের এক পর্যায়ে ছিনতাইকারী মোবাইল ফোনটি ফেরত দিলে পুলিশের সহায়তায় সেটি ভুক্তভোগী নারী ভর্তিচ্ছুর হাতে তুলে দেন শিক্ষার্থীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন পূর্ণীমা অধিকারী। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথমবর্ষের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।
অপরদিকে অভিযুক্ত ছিনতাইকারী হলেন নগরীর তালাইমারী এলাকার সুমনের ছেলে অনিক (২২) বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের পরিচয় দেন। এছাড়া তার সঙ্গে রবীন নামের আরেকজন ছিনতাইকারী ছিলেন বলে জানান তিনি।
ছিনতাইকারীকে ধরার প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি দেখছিলাম একটা মেয়ে শেখ রাসেল মাঠে ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করতে করতে একজন লোকের পেছনে দৌড়াচ্ছিল। এসময় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটের দিকে যাচ্ছিলাম। তখন আমি সেই ছিনতাইকারিকে আটক করি। এসময় আমার সঙ্গে অনেক ভর্তি পরীক্ষার্থী ছিল, তারাও আমাকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করেন। ধরার পর আমরা বুঝতে পারি তারা দুজন ছিল। তবে আরেকজনকে আমরা ধরতে পারিনি।
তিনি বলেন, ছিনতাইকারী একটি গাড়ির নিচে ফোনটি ফেলে রেখেছিল। তার তথ্য অনুযায়ী গাড়ির নিচ থেকে আমরা ফোনটি বের করে নিয়ে এসে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিই। পরবর্তীতে বিষয়টি আমরা পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টাকে জানাই। এরপরে সেই ছিনতাইকারীকে আমরা পুলিশের হাতে সোপর্দ করি।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD