1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

রায়পুর পৌরসভার প্রধান সড়ক গুলো যানচলাচলের অযোগ্য ও জনসাধারণের দুর্ভোগ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৪০ বার পঠিত

 

মোঃ লিটন হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর জেলা রায়পুর উপজেলা পৌরসভার ও আসে পাশের চলতি বর্ষায় জলাবদ্ধতায় অধিকাংশ সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত ও কাদাপানিতে একাকার হয়ে আছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। আবার কিছু সড়ক টেন্ডার হলেও কাজ করছে না ঠিকাদার। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগে পড়ছেন হাজারো পথচারী ও যানবাহন চালকরা। 

রায়পুর পৌরসভার ৩০টি সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি এই সড়কে হাঁটাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে রাস্তাগুলো আরও বেশি ভোগান্তির কারণ হয়ে ওঠে। টাকার অভাবে সড়কগুলোর সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকায় পৌরসভার পাকা (কার্পেটিং) সড়ক রয়েছে ৪০ কিলোমিটার, সলিং (ইট বিছানো) ১৮ কিলোমিটার ও আরসিসি (ঢালাই দেওয়া) পাঁচ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি সড়কের মধ্যে ৩০টিই খানাখন্দে ভরা। দুই থেকে তিন বছর ধরে এ দশা। যান চলাচলের জন্য চলতি বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি সড়কে ইট-খোয়া ফেলে কিছু গর্ত ভরাট করা হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টিতে সেগুলোও খুব বেশি দিন টেকেনি।

গত ২৬ আগস্ট ঘুরে দেখা গেছে, মোহাম্মদ উল্যা সড়ক, শাহাজান চৌধুরী, গাজী নগর, মালের বাড়ি, টিসি রোড, টিঅ্যান্ডটি, কাজী ফিরোজ পারভেজ, দেওয়ান বাড়ি, এলএম স্কুল থেকে এমপি সড়ক, ছফি উল্যা মাস্টারের বাড়ি সড়ক, মধুপুর থেকে মহিলা কলেজ, আশরাফ আলী ভূঁইয়া, রুস্তম আলী ও মাদ্রাসার সামনের সড়কের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। এসব সড়কের সিলকোট ও ইটের খোয়া উঠে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে।

পৌর শহরের টিএনটি রোডের বাসিন্দা রাজু হোসনে বলেন, দু-তিন বছর আগেই পৌরকর বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত রাস্তাঘাটের কোনো উন্নতি হয়নি। এসব পথে ছোট ছোট যেসব যান চলে, রাস্তার বেহাল দশার কারণে সেগুলোও এখন দ্বিগুণ ভাড়া নেয়।মধুপুর গ্রামের অটোচালক রফিকউল্যা বলেন, পৌরসভার অনেক রাস্তায় গর্তের কারণে রিকশাই চালানো যায় না। এতে অটোচালকদের গাড়ী বারবার নষ্ট হয়ে খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেক সময় গর্তে পড়ে অটোরিকশা ভেঙে যায়। মেরামতেও বাড়তি টাকা লাগে। তাই তাঁরা কিছু কিছু রাস্তায় যাত্রী নিলে বাড়তি ভাড়া নেন। মহিলা কলেজ রোডের বাসিন্দা হাবিব উদ্দিন বলেন, তিনি গত জুনে কাজী ফিরোজ পারভেজ সড়ক দিয়ে রিকশায় চড়ে যাওয়ার সময় রিকশা গর্তে পড়ে গেলে তাঁর ডান হাত ভেঙে যায়।

পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির আহবায়ক এবিএম জিলানী বলেন অধিকাংশ রাস্তা এক যুগ আগে আমি মেয়র থাকাকালীন সময়ে হয়েছে এরপর বলতে গেলে আর সংস্কার করা হয়নি তাই এই অবস্থা, আশা করি দ্রুত সংস্কার করে জনগণের কষ্ট লাগব হবে।

পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইমরান হোসেন পৌরসভার অধিকাংশ সড়কেই গর্ত সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বাজেটের অভাবে এগুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না। তবে সড়ক সংস্কারে এরই মধ্যে একটি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে অনেক সড়কই মেরামত হয়ে যাবে।

 

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD