
দৈনিক নয়া কন্ঠ ডেক্সঃ
বৈরি আবহাওয়া, আমদানি বন্ধ ও সরবরাহ কম—এই তিন কারণে দেশে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১৫ টাকা বা প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত, ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছেন তারা।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশিরভাগ বাজারে পেঁয়াজের সংকট নেই, তবে দাম চড়া। পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৭০–৭৫ টাকা, খুচরা বাজারে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাবনা-ফরিদপুরসহ উৎপাদন অঞ্চল থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই কম দামে বিক্রি সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনছেন।
দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনের বড় অংশই আসে পাবনা অঞ্চল থেকে। সেখানকার আড়তদারদের ভাষ্য, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় বর্তমানে বাজারে কেবল দেশি পেঁয়াজই বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় এবার কৃষকরা বেশি লাভের আশায় সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন।
দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে বাজার তদারকিতে নেমেছে ভোক্তা অধিদপ্তর। প্রাথমিকভাবে কারসাজির প্রমাণ না মিললেও অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ভোক্তা অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস বলেন, “আমরা ব্যবসায়ীদের ক্যাশ মেমো ও ক্রয়-বিক্রয়ের স্বচ্ছতার ডকুমেন্ট রাখতে বলেছি। মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছি। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কৃষকরাই হাটে এই দামে বিক্রি করছেন এবং আরও বেশি দাম পাওয়ার আশায় সরবরাহ কমিয়ে দিচ্ছেন।”
বাজার নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলেও জানায় ভোক্তা অধিদপ্তর।