
হারুন রশিদ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
সরকারি চাল আমদানী, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ঘোষণা ও ধানের দাম কমে যাওয়ায় দিনাজপুরে চালের বাজারে মূল্য হ্রাস পেয়েছে। পুলহাট, বাহাদুর বাজার ও বড়বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহে ৫০ কেজির বস্তায় বিভিন্ন জাতের চাল ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে।
বাজারে যেমন জিরাশাইল ৩৫০০ থেকে কমে ৩৪০০, বিআর-২৮ জাত ৩১৫০ থেকে কমে ২৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাসমতি, সিদ্ধ সম্পা সহ অন্যান্য চালেও কেজিতে ৩-৪ টাকা কম পাওয়া যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম কমলেও ক্রেতা সংকটে পড়েছেন তারা। পাইকারি ক্রেতারা আসা কমিয়ে দিয়েছেন। গুদামে চাল মজুদ থাকলেও বিক্রি হচ্ছে না।
চাল কিনতে আসা সাধারণ মানুষ জানায়, মূল্য কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। রিকশাচালক নজমুল হক বলেন, “এক কেজি চালে ৩ টাকা বাঁচলেও তা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।”
ধানের বাজারও নিম্নমুখী—কৃষকরা বলছেন, আমদানি বাড়ায় দাম পড়ে গেছে, ফলে অনেকেই ক্ষতির মুখে ধান বিক্রি করছেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানান, সরকার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫৩ লাখ পরিবারকে কম দামে চাল দেবে। বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
সবমিলিয়ে সরকারের নানা পদক্ষেপে চালের বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে, তবে ব্যবসায়ীরা নতুন করে বিপাকে পড়েছেন।