
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে শত শত ফার্মেসি প্রতিদিন ওষুধ বিক্রি করলেও এর অনেকগুলোরই নেই বৈধ লাইসেন্স। আবার অনেক ফার্মেসির লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, কিন্তু নবায়ন করা হয়নি বছরের পর বছর। তদারকির অভাব এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এই অনিয়ম দিনে দিনে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
জেলা ওষুধ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, কটিয়াদি, পাকুন্দিয়া, ভৈরব, বাজিতপুরসহ নয়টি উপজেলায় অনুমোদিত ফার্মেসির সংখ্যা প্রায় ১,৪০০ হলেও বাস্তবে চালু রয়েছে প্রায় ২,০০০-এর বেশি। এর মধ্যে অন্তত ৫০০টির কোনও বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স নেই কিংবা দীর্ঘদিন ধরে নবায়ন করা হয়নি।
ওষুধ বিক্রি করছে যার হাতে কোনও অনুমোদন নেই!
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক ফার্মেসিতে দায়িত্বরত ব্যক্তি একজন পেশাদার ফার্মাসিস্ট তো ননই, এমনকি এসএসসি পাশও করেননি। অথচ তারা নিয়মিত শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন, ওষুধের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করছেন, যা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
প্রশাসনের নীরবতা, তদারকির অভাব৷
জেলা ওষুধ তদারক কর্মকর্তা (ড্রাগ ইন্সপেক্টর) রয়েছে মাত্র একজন, যিনি পুরো জেলার দায়িত্বে। জনবল সংকট ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে অধিকাংশ অনিয়মই রয়ে যায় অপ্রকাশিত। এছাড়া অনেক সময় অভিযান চালাতে গেলেও প্রভাবশালী মহলের ফোন কল কিংবা রাজনৈতিক চাপে কার্যক্রম থেমে যায়।
লাইসেন্স নবায়নে হয়রানি, আবার কিছুতেই লাগে না!
একদিকে যেমন অনেক ফার্মেসি লাইসেন্স নবায়নের জন্য বছরের পর বছর হয়রানির শিকার, অন্যদিকে কিছু প্রতিষ্ঠান একেবারেই কোনো লাইসেন্স ছাড়াই বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বৈধভাবে ব্যবসা করা ও সচেতন মালিকরা ক্ষুব্ধ৷
স্বাস্থ্যঝুঁকিতে জনগণ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসিতে ভুল ওষুধ বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ এবং অজ্ঞতার কারণে রোগীর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি হতে পারে জীবনঘাতী।
এলাকাবাসীর দাবি: দ্রুত অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো হোক
কিশোরগঞ্জ জেলা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোমিনুল হক বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা খেলাচ্ছলে চলতে পারে না। প্রতিটি ফার্মেসির লাইসেন্স যাচাই ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানমূলক রিপোর্টের বিশেষ অংশ
এই বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় এর আগে কোনো বড়সড় গণমাধ্যম অনুসন্ধান চালায়নি। স্থানীয় জনগণের চোখে যা দীর্ঘদিনের সমস্যা, তা এবার সামনে আনার সময় এসেছে।
কিশোরগঞ্জে ফার্মেসি নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী নজরদারি না হলে পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।
(সতর্কতা): ওষুধ শুধু রেজিস্টার্ড ফার্মেসি থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সংগ্রহ করুন। ভুল ওষুধ প্রাণঘাতী হতে পারে।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে শত শত ফার্মেসি প্রতিদিন ওষুধ বিক্রি করলেও এর অনেকগুলোরই নেই বৈধ লাইসেন্স। আবার অনেক ফার্মেসির লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, কিন্তু নবায়ন করা হয়নি বছরের পর বছর। তদারকির অভাব এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এই অনিয়ম দিনে দিনে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
জেলা ওষুধ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, কটিয়াদি, পাকুন্দিয়া, ভৈরব, বাজিতপুরসহ নয়টি উপজেলায় অনুমোদিত ফার্মেসির সংখ্যা প্রায় ১,৪০০ হলেও বাস্তবে চালু রয়েছে প্রায় ২,০০০-এর বেশি। এর মধ্যে অন্তত ৫০০টির কোনও বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স নেই কিংবা দীর্ঘদিন ধরে নবায়ন করা হয়নি।
ওষুধ বিক্রি করছে যার হাতে কোনও অনুমোদন নেই!
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক ফার্মেসিতে দায়িত্বরত ব্যক্তি একজন পেশাদার ফার্মাসিস্ট তো ননই, এমনকি এসএসসি পাশও করেননি। অথচ তারা নিয়মিত শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন, ওষুধের প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করছেন, যা সরাসরি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
প্রশাসনের নীরবতা, তদারকির অভাব৷
জেলা ওষুধ তদারক কর্মকর্তা (ড্রাগ ইন্সপেক্টর) রয়েছে মাত্র একজন, যিনি পুরো জেলার দায়িত্বে। জনবল সংকট ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবে অধিকাংশ অনিয়মই রয়ে যায় অপ্রকাশিত। এছাড়া অনেক সময় অভিযান চালাতে গেলেও প্রভাবশালী মহলের ফোন কল কিংবা রাজনৈতিক চাপে কার্যক্রম থেমে যায়।
লাইসেন্স নবায়নে হয়রানি, আবার কিছুতেই লাগে না!
একদিকে যেমন অনেক ফার্মেসি লাইসেন্স নবায়নের জন্য বছরের পর বছর হয়রানির শিকার, অন্যদিকে কিছু প্রতিষ্ঠান একেবারেই কোনো লাইসেন্স ছাড়াই বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বৈধভাবে ব্যবসা করা ও সচেতন মালিকরা ক্ষুব্ধ৷
স্বাস্থ্যঝুঁকিতে জনগণ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসিতে ভুল ওষুধ বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহ এবং অজ্ঞতার কারণে রোগীর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি হতে পারে জীবনঘাতী।
এলাকাবাসীর দাবি: দ্রুত অভিযান ও নজরদারি বাড়ানো হোক
কিশোরগঞ্জ জেলা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোমিনুল হক বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যবসা খেলাচ্ছলে চলতে পারে না। প্রতিটি ফার্মেসির লাইসেন্স যাচাই ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
বিশ্লেষণ ও অনুসন্ধানমূলক রিপোর্টের বিশেষ অংশ
এই বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় এর আগে কোনো বড়সড় গণমাধ্যম অনুসন্ধান চালায়নি। স্থানীয় জনগণের চোখে যা দীর্ঘদিনের সমস্যা, তা এবার সামনে আনার সময় এসেছে।
কিশোরগঞ্জে ফার্মেসি নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী নজরদারি না হলে পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।
(সতর্কতা): ওষুধ শুধু রেজিস্টার্ড ফার্মেসি থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সংগ্রহ করুন। ভুল ওষুধ প্রাণঘাতী হতে পারে।