1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী সদরে ১৯৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ; আরও বরাদ্দ চাইলেন ইউএনও, নিরুপমা রায় ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী আটক। বগুড়া-নওগাঁ সড়কে বেপরোয়া বাসের তাণ্ডব: প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ২০-২৫ জন পটিয়ায়-পর্যটক বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক, ১ লাখ ইয়াবাসহ ৫ মোটরসাইকেল জব্দ তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে রাজবাড়ী সদরের ইউএনও, নিরুপমা রায়; ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান রাজবাড়ী সদর ইউএনও, নিরুপমা রায়ের নেতৃত্বে শহীদ আব্দুল গণি শেখের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন নানা কর্মসূচিতে বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী আটক।

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ বার পঠিত

 

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করে থানায় নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম বাকপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তি মারুফ মাতুব্বর (৩৮)। তিনি পশ্চিম বাকপুরা এলাকার মৃত মোখছেদ মাতুব্বরের ছেলে। অভিযুক্ত স্ত্রী শিখা (৩০) সদরপুর উপজেলার শামসুর গ্রামের মৃত মানিক খানের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে মারুফ মাতুব্বর ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী শিখা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গোপনাঙ্গে আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় মারুফের চিৎকার শুনে তার বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর এগিয়ে আসেন।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মারুফকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারুফ নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়িতে আসতেন এবং শনিবার সকালে কর্মস্থলে ফিরে যেতেন। তার সঙ্গে স্ত্রী শিখার দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। এ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে বিচার-সালিশও হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে অভিযুক্ত শিখাকে আ-টক করে থানায় নেওয়া হয়।
ভাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD