1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

লক্ষ্মীপুর জেলায় ৫টি উপজেলায় বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট।

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৮ বার পঠিত

 

মোঃ লিটন হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :-

লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে টানানো হয়েছে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড। এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে, বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা পড়েছেন চরম বিপাকে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার সরবরাহ ব্যবস্থা।
সরেজমিনে দেখা গেছে,রায়পুর, রামগঞ্জ,কমলনগর, রামগতি এবং সদর উপজেলার প্রায় সবকটি পেট্রোল পাম্প এখন জ্বালানি শূন্য। শহরের নামী-দামি পাম্প যেমন—রায়পুরে হাজি আলী ফিলিং স্টেশন, মতিন ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশন, রৌশন আর ফিলিং স্টেশন ,ফিরোজ পেট্রোল পাম্প, ধরিত্রী পেট্রোল পাম্প কিংবা উত্তর ও দক্ষিণ তেমুহনী এলাকায় কোনো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। দু-একটি পাম্পে সন্ধ্যার পর সামান্য তেল মিললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য।

তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক ড্রাইভার ইসমাইল তার অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “পাম্পে পাম্পে ঘুরছি কিন্তু কোথাও ডিজেল নেই। কখন তেল আসবে, আদৌ আসবে কি না—তা কেউ বলতে পারছে না। আমাদের চাকা ঘুরলে পেট চলে, কিন্তু তেলের অভাবে এখন রাস্তায় বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। এতে করে আমাদের আয় যেমন বন্ধ হচ্ছে, তেমনি সময়মতো মালামাল পৌঁছাতে না পারায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও পুরো সাপ্লাই চেইন বড় ক্ষতির মুখে পড়ছে।”

মিলন হোসেন নামে আরেক চালক তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “বাজারে তেল নেই, গন্তব্যে পৌঁছাব কীভাবে? প্রতিদিন মাইলের পর মাইল ঘুরেও তেল মিলছে না।”

এদিকে মোটরসাইকেল চালকদের অবস্থাও শোচনীয়। মাহমুদ নামের এক চালক জানান, তিনি ৫ কিলোমিটার পথ হেঁটে রায়পুর হাজী আলী আকবর পাম্পে এসে দীর্ঘ অপেক্ষার পর মাত্র ২০০ টাকার তেল পেয়েছেন। অনেকের কপালে তাও জুটছে না।

উত্তর তেমুহনীর মেসার্স মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পে ইফতারের পর কিছু সময়ের জন্য তেল দেওয়া হলেও সেখানে ট্রাক বা বড় যানবাহনের ঠাঁই হচ্ছে না। কেবল মোটরসাইকেলই হিমশিম খাচ্ছে সীমিত তেলের লাইনে। ফলে সড়কের দুই পাশে তেলের অপেক্ষায় ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই সংকট দ্রুত সমাধান না হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও স্থবির হয়ে পড়বে। স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত এই জ্বালানি সংকট নিরসনে কোনো স্থায়ী পরিকল্পনার কথা জানাতে পারেননি।

অন্ধকার পাম্প আর তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল গুলোর নিস্তব্ধতা যেন লক্ষ্মীপুর জেলায় থমকে যাওয়া অর্থনীতিরই প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD