1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

টাঙ্গাইল পৌরসভার অধিকাংশ সড়ক খানাখন্দে ভরা নেই পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২২০ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেনঃ

শতাব্দী প্রাচীন ও প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও টাঙ্গাইল পৌরসভার অধিকাংশ সড়কের বর্তমানে বেহাল দশা। শহরের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পৌর কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া সড়কগুলোর সঙ্গে সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই প্রতি বছর শহরে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। বর্ষা ও বৃষ্টি মৌসুমে এই ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট ও অপ্রতুল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায় পৌরবাসীর।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর শহরের খুব গুরুত্বপূর্ণ বটতলা-কলেজপাড়া-বেবিস্ট্যান্ড সড়কটির বেহাল দশা। শহরের যানজট নিরসনে এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেনি পৌর কর্তৃপক্ষ। ফলে ট্রাক-বাসসহ বিভিন্ন ধরনের ভারি যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এই সড়কে। শহরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্লাব রোড।

এই সড়কটি মূলত একটি লিংক রোড। যা শহরের ব্যস্ততম জেলা সদর রোড ও ভিক্টোরিয়া রোডকে যুক্ত করেছে। পৌর ভবন থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা। এ ছাড়া এই সড়কটিতে নেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে সারাবছর এই সড়কের একটি অংশ ড্রেনের পানিতে ডুবে থাকে। 
শহরের মালঞ্চ সিনেমা হল-সাহাপাড়া-বাজিতপুর সড়কটি বৃষ্টি হলেই পানির নিচে ডুবে যায়। যে কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। এ ছাড়া জমে থাকা ড্রেনের পানি গিয়ে ঢুকে পড়ে বসত বাড়িতে। ফলে ডায়রিয়া, জ্বর-সর্দিসহ বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগের প্রকোপ এইসব এলাকায় বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া শহরের জেলা সদর হয়ে ধুলেরচর মাদ্রাসা মোড় পর্যন্ত সড়কটির খুবই বেহাল দশা। নতুন বাসস্ট্যান্ডের যানজট এড়াতে অনেকেই এই সড়কটি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করেন।

বর্তমানে এই সড়কে কোনো সিএনজি, অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল চলাচল করতে চায় না। ফলে শহরের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাসহ জেলার উত্তর অংশের মানুষদের শহরে যাতায়াতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই সড়কটি জেলা গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন।
এ ছাড়া ৩ নং ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম ব্রিজ থেকে মেসের মার্কেট পর্যন্ত সড়কটি ভেঙেচুরে বর্তমানে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিকল্প সড়ক হিসেবে হাউজিং এস্টেটের সড়ক ব্যবহার করে অনেকটা ঘুরে শহরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছে। পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের দিঘুলিয়া নিজাম উদ্দিন সড়কের শাহ্ আলমের বাড়ি থেকে কাজীবাড়ি পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা। সড়কটিতে নেই কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পরিমাণ পানি জমে যায়। এর ফলে চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। 
স্থানীয় বাসিন্দা কাজী জহির সুমন বলেন, এই সড়ক ব্যবহার করে দুটি প্রাইমারি স্কুল ও একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা যাতায়াত করে। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি ডুবে যাওয়ার ফলে তাদের বিদ্যালয়ে যেতে চরম সমস্যা তৈরি হয়। এ ছাড়া স্থানীয় বাসিন্দারা এই সড়কটি ব্যবহার করে শহরে যাতায়াত করে। স্থানীয়দের শহরে আসার একমাত্র সড়ক এটি। এই সড়কটির দ্রুত উন্নয়নের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD