
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে দুইদিন ধরে পড়ে রয়েছে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবস্থা না নেওয়ায় চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র দুর্গন্ধ, যা রীতিমতো অসহনীয় হয়ে উঠেছে রোগী ও স্বজনদের জন্য।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, নিহত ব্যক্তি শ্যামল ছায়া পরিবহনের বাসের হেলপার ছিলেন এবং ময়মনসিংহ থেকে ভৈরবগামী পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে এখনো পর্যন্ত তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়নি, এমনকি কেউ মরদেহ গ্রহণ করতেও আসেননি।
দুর্গন্ধে পুরো হাসপাতাল চত্বরই যেন এক অসুস্থ পরিবেশে পরিণত হয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা মুখে রুমাল চাপা দিয়ে চলাফেরা করছেন। শিশু ও গুরুতর অসুস্থদের জন্য পরিবেশটি হয়ে উঠেছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “চিকিৎসা নিতে এসে মরদেহের দুর্গন্ধে দাঁড়ানোই মুশকিল—এটা কি কোনো সভ্য সমাজ?”
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে সাধারণ মানুষ। স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের মানবিক অবহেলা প্রশাসনিক উদাসীনতারই চিত্র।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ দুইদিন ধরে এভাবে পড়ে থাকা কি গ্রহণযোগ্য? দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ ঘটনায় জনরোষ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে হাসপাতালের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি৷