1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়াডাঙ্গা থানার তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিখোঁজ কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন। রাজবাড়ীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ‘বাজেট আসে, বাজেট যায়, আমাগো কিচ্ছু হয় না’ পাঁচবিবিতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মেলা। সাংবাদিক পরিচয়ে অটোচালকের ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা মামলার আসামি মিমুল গ্রেফতার বাগমারায় হারানো টিয়া পাখি নিয়ে চাঞ্চল্য,ফিরে পেতে মালিকের অভিযোগ। বাবার সঙ্গে গাঁজা নিতে এসে ১৪ বছরের কিশোরী আটক ইতিহাস গড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ, ভাঙল ১২ বছরের রেকর্ড মেহেরপুরে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ।

রাজধানী দক্ষিনখানে মাদক সেবনে বাধা’র জেরে নৈশপ্রহরী খুন। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
  • ১৮৭ বার পঠিত

রাজধানী দক্ষিনখানে মাদক সেবনে বাধা জেরে খুন নৈশপ্রহরী

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেন

রাজধানী দক্ষিণখানে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় আফিল মিয়া নামের একজন নৈশপ্রহরীকে হত্যা করা হয়। সে মাদক সেবনে বাধা দিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ
সোমবার ভোরে কসাইবাড়ি-কাঁচকুড়া বাজার সড়কের দক্ষিণখানের চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

পরদিন নিহতের স্ত্রী মো. খোরশেদা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থানা-পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গোয়েন্দা দল তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে দক্ষিণখানের ওই ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে একজনকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে মো. পলক নামের ওই যুবককে হত্যার অভিযোগে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরা জোনাল টিম। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ওই যুবক দক্ষিণখান বাজার এলাকার মো. মোতালেব মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া পলকও সে সময় প্রায়ই রাতে বাজারের আশপাশে মাদক সেবন করতেন। আফিল মিয়া বিষয়টি পরিবারের কাছে জানানোর হুঁশিয়ারি দেন পলককে। ঘটনার রাতেও আফিল মিয়া পলককে দেখে ফেলায় তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন তিনি। সেখানে মৃত্যু হয় আফিল মিয়ার।

এ বিষয়ে শুক্রবার ২২ মার্চ ডিবি থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
নিহত আফিল মিয়ার স্ত্রী খোরশেদা বেগম মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন—ঘটনার দিন তিনি জনৈক রাকিবুলের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার স্বামীকে কে বা কারা রক্তাক্ত অবস্থায় দক্ষিণখান চেয়ারম্যান বাড়ির পাশে ফেলে রেখে গেছে। পরে তাঁকে প্রথমে কেসি হাসপাতাল ও পরে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাঁর স্বামীর মরদেহ হাসপাতালে পড়ে থাকতে দেখেন।

নিহত আফিলের ছেলে খোরশেদ আলম বলেন আমার বাবা নাইটগার্ডের কাজ করত। সে সময় মত ডিউটিতে যেত এবং ডিউটি শেষ করে বাসায় চলে আসত। কে বা কারা বাবাকে খুন করল, কেন করল কিছুই জানি না।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD