1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রেম ও জীবন ৪ ভিডিওকলে কবিরাজি, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত তান্ত্রিক প্রতারক চক্র গাছ লাগানোর আহ্বান ইউএনও, মনিষা রানী কর্মকারের, শিবালয়ে ৮০০ ফলজ চারা বিতরণ ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব, হাসপাতালে ছুটে গেল প্রশাসন দায়িত্ব নেবে সরকার। আমার আপন কেউ নেই- নন্দীগ্রাম পৌরসভার সোয়া কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার কাজ, লাখো কর্মসংস্থানের আশা রাজবাড়ী খানখাপুর ট্রেন-ফরিদপুর বাস-মাহেন্দ্রর ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৭ পাঁচ জেলা নিয়ে বগুড়াকে বিভাগ ঘোষণা করা হচ্ছে আধুনিক মহানগর গড়তে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের

রাজধানী দক্ষিনখানে মাদক সেবনে বাধা’র জেরে নৈশপ্রহরী খুন। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
  • ২১৭ বার পঠিত

রাজধানী দক্ষিনখানে মাদক সেবনে বাধা জেরে খুন নৈশপ্রহরী

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেন

রাজধানী দক্ষিণখানে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় আফিল মিয়া নামের একজন নৈশপ্রহরীকে হত্যা করা হয়। সে মাদক সেবনে বাধা দিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ
সোমবার ভোরে কসাইবাড়ি-কাঁচকুড়া বাজার সড়কের দক্ষিণখানের চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

পরদিন নিহতের স্ত্রী মো. খোরশেদা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর থানা-পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গোয়েন্দা দল তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে দক্ষিণখানের ওই ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে একজনকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে মো. পলক নামের ওই যুবককে হত্যার অভিযোগে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরা জোনাল টিম। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ওই যুবক দক্ষিণখান বাজার এলাকার মো. মোতালেব মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া পলকও সে সময় প্রায়ই রাতে বাজারের আশপাশে মাদক সেবন করতেন। আফিল মিয়া বিষয়টি পরিবারের কাছে জানানোর হুঁশিয়ারি দেন পলককে। ঘটনার রাতেও আফিল মিয়া পলককে দেখে ফেলায় তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন তিনি। সেখানে মৃত্যু হয় আফিল মিয়ার।

এ বিষয়ে শুক্রবার ২২ মার্চ ডিবি থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
নিহত আফিল মিয়ার স্ত্রী খোরশেদা বেগম মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন—ঘটনার দিন তিনি জনৈক রাকিবুলের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার স্বামীকে কে বা কারা রক্তাক্ত অবস্থায় দক্ষিণখান চেয়ারম্যান বাড়ির পাশে ফেলে রেখে গেছে। পরে তাঁকে প্রথমে কেসি হাসপাতাল ও পরে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাঁর স্বামীর মরদেহ হাসপাতালে পড়ে থাকতে দেখেন।

নিহত আফিলের ছেলে খোরশেদ আলম বলেন আমার বাবা নাইটগার্ডের কাজ করত। সে সময় মত ডিউটিতে যেত এবং ডিউটি শেষ করে বাসায় চলে আসত। কে বা কারা বাবাকে খুন করল, কেন করল কিছুই জানি না।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD