
অনিক কুমার পাল মৃন্ময়, ময়মসিংহ জেলা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে ওই মামলার অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই ডিএনএ পরীক্ষায় চিহ্নিত হয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ডিএনএ টেস্টের চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হলে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মদন উপজেলার একটি মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১১ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিশুটি সন্তান প্রসব করলে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার সত্যতা ও পিতৃত্ব প্রমাণের লক্ষ্যে আদালতের নির্দেশে নবজাতক এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল।আদালতে পেশ করা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই নবজাতকের ডিএনএ প্রোফাইলের সাথে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ হুবহু মিলে গেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনের মাধ্যমে মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রমাণ নিশ্চিত হলো। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।