
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলমহল ইজারা নিয়ে বিতর্ক! যা বললেন ইউনিয়ন পরিষদবর্গ ও চেয়ারম্যান
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাধীন ৩ নং দায়পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় চকশ্রীরাম ও চকদিলালপুর মোজায় ডাকরা দিঘী নামক একটি জলমহাল রয়েছে। উক্ত জলমহালটির ইজারাকৃত অর্থ দায়পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়।জলমহাল নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ৫ বছরের মেয়াদে ইজারা দেন বিগত ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুল ইসলাম জুয়েল এরই ধারাবাহিকতায় ইজারা চলমানের পর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাঃ আলোমগীর রেজা। জলমহল নিয়মানুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য তিন বছর মেয়াদে ইজারা প্রদান করেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাঃ আলোমগীর রেজা। পরে অবশিষ্ট দুই বছর জলমহলটি ইজারা দেওয়ার জন্য অত্র ইউপি এলাকা জুড়ে মাইকিং করে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ডাকে অংশগ্রহণ করার জন্য ঘোষণাও করেন ইউনিয়ন পরিষদ।
ইউপি চেয়ারম্যান বলেন জলমহলটি ইজারা না দেওয়ার আগেই জানতে পারি আমি নাকি ইজারা দিয়ে ফেলেছি তিনি আরো বলেন কোন ভাবেই কাউকে, বা কোন পক্ষকে ইজারা দেওয়া হয়নি। কিছু কুচক্রী মহল আমার পরিষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেন ইউপি চেয়ারম্যান আলোমগীর রেজা। চেয়ারম্যান আলমগীর বলেন আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ইজারাকৃত জলমলটির অর্থ সহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিয়ন ও পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে অব্যাহত রেখেছি।আমার বিরুদ্ধে আনীত সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।একটি মহল ফায়দা লোটার জন্য এই সব করছে।
ডাকরা দিঘী সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান বাবুল ও ০২ নাম্বার ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আব্দুস সালাম বলেন আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছরের মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে এসেছি জলমহলটি ইজারা দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন মূলক কাজে লাগাতে পারব কিন্তু আমরা তিন বছরের মেয়াদে ইজারা দিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি বাকি দুই বছর ইজারা দেওয়ার জন্য দুই দিন ধরে মাইকিং করেছি কেউ সিডিউল ক্রয় করেনি যার কারনে ইজারাও দিতে পারিনি। তবে নিয়মানুযায়ী যদি ইজারা দিতে পারি তাহলে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে লাগাবো। ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম আরো বলেন এই জলমহলটি পূর্বের পরিষদ পাঁচ বছর করে ইজারা দিতেন?তাহলে আমরা কি পাপ করলাম যে ইজারা দিতে পারব না?কারন এই ডাকরা দিঘী তো আমরা বিক্রি করে বাড়ি নিয়ে যায় না।জলমহল জলমহলের জায়গায় থাকবে শুধু এর অর্থ দিয়ে ইউনিয়নের কাজ করা হয়। জলমহলটির ইজারা নিয়ে আমরা বিভিন্ন গনমাধ্যম ও মুঠোফোনে একটি সংবাদ দেখতে পাচ্ছি যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলীকে বিতর্কিত করার জন্য সাংবাদিকদের ভুল ভাল তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছে। উক্ত প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।কারন জলমহলটি বর্তমানে কাউকে ইজারাই দেওয়া হয়নি।