
ইব্রাহিম হোসেন ,সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জ শনিবার ,২৯আগস্ট ২০২৬ একদিকে করপোরেট ক্যারিয়ারের ব্যস্ততা, অন্যদিকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অদম্য তাগিদ—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সিরাজগঞ্জের সন্তান মো: নুরনবী হোসেন।
মাত্র ৩১ বছর বয়সেই তরুণ প্রজন্মের কাছে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনুপ্রেরণাদায়ী মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।
সিরাজগঞ্জ সদরের রতনকান্দি ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের সন্তান নুরনবী পেশাগত জীবনে অ্যাফেক্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ (Apex Metal Industries)-এর রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার হিসেবে টাঙ্গাইল ও গাজীপুর অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে করপোরেট পরিমণ্ডলের বাইরে তার বড় পরিচয় গড়ে উঠেছে একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে।
নুরনবী হোসেনের সমাজসেবামূলক কাজের পরিধি বেশ বিস্তৃত। তিনি নিয়মিত স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগ যুক্ত রেখেছেন। বিশেষ করে এতিম ও বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের আত্মনির্ভরশীলতার সুযোগ তৈরিতে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন।
পরিবেশ সুরক্ষাতেও পিছিয়ে নেই এই তরুণ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও সবুজ বলয় তৈরিতে নিজ অর্থায়নে শুরু করেছেন বৃক্ষরোপণ অভিযান। নিজে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ফলের ও কাঠের চারা বিতরণ করছেন তিনি।
তার এই “সবুজ বিপ্লব” উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
পেশা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন নুরনবী। ইতিবাচক ও জনসচেতনতামূলক কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে অনলাইন মাধ্যমে তরুণের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মো: নুরনবী হোসেন জানান, মানুষের সেবার মধ্যেই জীবনের মূল সার্থকতা নিহিত। পরিবেশ রক্ষা এবং অসহায় ও এতিম মানুষের মুখে হাসি ফোটানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। একটি বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সহকর্মীদের প্রত্যাশা, তরুণ এই করপোরেট কর্মকর্তার মানবিক উদ্যোগগুলো সমাজে স্থায়ী ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অন্যান্যদেরও জনকল্যাণে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।