1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গাংনীর সহড়াতলা সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের।গ্রামবাসি ও বিজিবির প্রতিরোধের মুখে ব্যর্থ। ফরিদপুরে সালিশ থেকে ফেরার পথে হাত পা কেটে যুবককে হত্যা। কেডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনার সাথে ‘নিরাপদ খুলনা চাই’-এর শুভেচ্ছা বিনিময় জৈব সারের নামে কৃষকদের দেওয়া হলো পলিথিন ও আবর্জনা মহব্বতহীন সমাজ: অপরাধের নীরব উৎপত্তিস্থল। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সমীক্ষায় বরাদ্দ সাড়ে ৪ কোটি টাকা নীলফামারীতে অবৈধ চায়না জাল কারখানায় অভিযান, ৪১ লাখ টাকার জাল জব্দ। আদমদীঘিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০৫ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। আমিরপুর ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ:  রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে সরেজমিনে পরিদর্শন, স্থাপন হচ্ছে টোল চার্ট।

জাহাজমারা হাবিব এর মৃত্যু বার্ষিকী। দৈনিক নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২২ বার পঠিত

জাহাজমারা হাবিব এর মৃত্যু বার্ষিকী

মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল টাঙ্গাইল
আজ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার জাহাজমারা কমান্ডার নামে খ্যাত বীর বিক্রম হাবিবুর রহমান ২৫তম মৃত্যু বার্ষিকী
। ১৯৯৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঘাটাইলের জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধুর গলগন্ডা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাজমারা হাবিব হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

জাহাজমারা হাবিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাটাইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, হাবিবুর রহমান বীর বিক্রম স্মৃতি সংসদ এর পক্ষ থেকে পৃথক পৃথকভাবে দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধর সময় ১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরের যমুনা-ধলেশ্বরী নদী পথের মাটিকাটা নামক স্থানে নদী পথে নজরদারী করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্ধর্ষ সাহসী চৌকস কমান্ডার মেজর হাবিবুর রহমান।

তার অত্যন্ত দুরদর্শীতায় ও অল্প সংখ্যক সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের নিয়ে দুটি অস্ত্রবোঝাই জাহাজ এস টি রাজন ও ইউএস ইজ্ঞিনিয়ারস এল সি-৩ ধ্বংস করার মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়।

জাহাজগুলো আক্রমন ও ধ্বংস করার মাধ্যমে এক লাখ ২০ হাজার বাক্সের তৎকালীন ২১ কোটি টাকার মুল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রনে আসে। পরবর্তীতে যুদ্ধ জাহাজ ও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করার জন্য পাকিস্তানী কমান্ডডেট লেঃ জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী ও বিগ্রেডিয়ার কাদের খান নেতৃত্বে ৪৭ ব্রিগেট,৫১ কমান্ডো ব্রিগেট ও হানাদার বিমান বাহিনী ২টি এফ-৮৬ সাব জিট বিমান দ্বারা মুক্তি বাহিনীদের উপর চতুর্দিকে আক্রমন করে।

পরবর্তীতে হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বের কাছে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই যুদ্ধকে পট পরিবর্তনকারী টার্নিং পয়েন্ট অধ্যায় হিসেবে গণ্য করা হয় । কমান্ডার হাবিবুর রহমানের অসীম বলিষ্ঠ সাহসীকতার নেতৃত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম ও জাহাজমারা হাবিব উপাধিতে ভুষিত করেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD