1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নড়াইলে মোস্তফা হত্যা মামলায় মূল আসামিদের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন আগামীকাল থেকে হাইমচরে গোল্ড কাপ ফুটবলের খেলোয়াড় বাছাই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে হাইমচরে বিক্ষোভ মিছিল রূপগঞ্জে ব্রাহ্মণখালী স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এনসিপিকে টিকে থাকতে হলে জামায়াত ছাড়তে হবে: রাশেদ খাঁন শেরপুরে মিছিল বের করার চেষ্টাকালে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৫ কর্মী গ্রেপ্তার গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের নতুন আমীর আব্দুল করিম এমপি, শপথ গ্রহণ ২০২৭-২০২৮ সেশনের দায়িত্বভার গ্রহণ, দায়িত্বশীল সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধূলার কোনো বিকল্প নেই এমপি রেজাউল ইসলাম খুলনার কয়রায় জেন্ডারভিত্তিক প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, গণমাধ্যমের সচেতন ব্যবহার ও অ্যাডভোকেসি বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাউফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির ও হাটবাজারে ৬০টি গভীর নলকূপ দিলেন এমপি মাসুদ।

ব্যাগে স্বর্ণ আনায় বাজেটে আসছে নতুন বিধিমালা – নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ৩৬৮ বার পঠিত

মোঃ আল-আমিন (আলিফ) ঢাকা


বাজেট ২০২৩- ২৪ ব্যাগে স্বর্ণ আনায় আসছে নতুন বিধিমালা
আসন্ন ২০২৩-২৪ বাজেটে প্রবাসী আয় বাড়াতে দেশের প্রচলিত যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন বিধিমালায় বিদেশফেরত যাত্রীরা ১১৭ গ্রাম ওজনের সোনার বার আনতে পারবেন। সেই সঙ্গে প্রতি ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনার ওপর আরোপিত শুল্ক করও বাড়ানো হবে। এতে করে ব্যাগেজে আনা সোনার ওপর নির্ভরশীল দেশের বাজারে মূল্যবান এ ধাতুর দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনেক প্রবাসী বিদেশে থেকে দেশে ফেরার সময় স্বর্ণের বার নিয়ে আসেন। বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুসারে, বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় একজন ব্যক্তি প্রতি ভরি দুই হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে ২৩৪ গ্রাম (২০ ভরি) ওজনের স্বর্ণের বার আনতে পারবেন। পর্যটক নয়, এমন যাত্রীরা এই পরিমাণ শুল্ক কর পরিশোধ বাবদ প্রায় সময়েই এভাবে স্বর্ণ এনে দেশের বাজারে বিক্রি করেন।

বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি না করে ব্যাগেজ বিধিমালার অপব্যবহার রোধে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালার পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে ধারণা করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। বলা হচ্ছে, এবারের বাজেটে যাত্রী (অপর্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা, ২০১৬ এর আওতায় বিদ্যমান ২৩৪ গ্রামের পরিবর্তে ১১৭ গ্রাম ওজনের স্বর্ণবার বা স্বর্ণপিণ্ড সব প্রকার শুল্ককর সাপেক্ষে আমদানির বিধান প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হতে পারে। এ ছাড়া প্রতি ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের জন্য শুল্ক করের পরিমাণ বাড়িয়ে ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করাসহ বিদ্যমান বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক নতুন বিধিমালা জারির প্রস্তাব করা হতে পারে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশে জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সহ-সভাপতি ও মিডিয়া সংক্রান্ত স্ট্যাডিং কমিটির চেয়ারম্যান দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহিন বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যখন দেশে ফেরেন বা যে কেউ দেশের বাইরে গেলে ব্যাগেজ বিধিমালার আওতায় অনেক পণ্য বিনাশুল্কে আনতে পারেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার পণ্য শুল্ক দিতে হয়। যা অনেকটা নাগরিকদের অধিকার বলা যায়। কিন্তু এই অধিকার যখন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু হয়, তখন তা অমঙ্গল বয়ে আনে। ধরুন, কেউ দুটি মোবাইল ফোন বিনাশুল্কে কিনে আনল এবং তা বাজারে বিক্রি করে দিল। কিন্তু এটি যখন আমদানিকারক আমদানি করে আনে, তাহলে কিন্তু তাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। কাজেই রাজস্ব বাড়াতে আমদানি করাকেই উৎসাহিত করা হয়।

মানুষ এই বিধিমালার অপব্যবহার করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর দরকার। এদিকে সরকার হিসাব করে দেখছে যে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা এই খাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেজন্য দেশের অর্থনৈতিক মঙ্গলের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা শুনতে পারছি যে, এই ভরিপ্রতি নির্ধারিত শুল্কের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি স্বর্ণ আনতে পারার পরিমাণ ২০ ভরি থেকে কমানো হতে পারে।’

এতে করে বিধিমালার অপব্যবহার রোধ হবে আর আমদানি বাড়বে বলে মনে করেন বাজুস সহ-সভাপতি। তিনি বলেন, বিদ্যমান আমদানি শুল্কতে আমদানিকারকদের যে পরিমাণ শুল্ক দিতে হয়, তার তুলনায় ব্যাগেজে আনা সাশ্রয়ী। কারণ ২০ ভরিতে ৪০ হাজার টাকা শুল্ক দিলেই হচ্ছে। তাই অনেকেই এই বিধিমালার অপব্যবহার করছেন।

তিনি জানান, মূলত প্রবাসী আয় বাড়ানোর জন্যই সরকার এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছে। কেননা, তারা উপার্জিত যে অর্থ দিয়ে সোনা কিনে দেশে আনেন, সেই অর্থ দিয়ে সোনা না কিনে তারা অর্থ পাঠালে রেমিট্যান্স বাড়বে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD