1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ডিলারের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দাবি! প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে মেয়েকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড কুমিল্লা লাকসামে চার সিএনজি স্ট্যান্ডে শ্রমিক দলের কমিটি গঠন চট্টগ্রামে সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসনের নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ মাদক নির্মূলে চলমান কার্যক্রমে গোপালগঞ্জ জেলায় প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন নির্ভীক সাহসী ২ পুলিশ কর্মকর্তা ।   মাদারীপুরে ৩ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আহত ৮ শেরপুরে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা! নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলা, ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত, জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা মাদ্রাসা শিক্ষক সাগর! শ্রীমঙ্গলে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি-কসমেটিকস জব্দ!

শরীয়তপুরে সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই পদ্মায় চলছে ‘মা’ ইলিশ শিকার। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩০৯ বার পঠিত

 

শরীয়তপুরে সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই পদ্মায় চলছে ‘মা’ ইলিশ শিকার

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

শরীয়তপুরের সরকারি নিষিদ্ধ সময়ে নির্দেশনা অমান্য করে অবাদে ‘মা’ ইলিশ শিকার করছে জেলেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসনের ঢিলেঢালা অভিযানের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু জেলে পদ্মায় মা-ইলিশ শিকার করছে।

সরকারিভাবে এই জেলায় ৮০ কিলোমিটার নদী ও ২০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকা হিসেবে ঘোষনা করলেও থেমে নেই জেলেরা। কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেট ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মদদেই চলছে মা ইলিশ নিধন ও বেচাকিনা। তবে নদীতে জাল ফেলেও আশানুরূপ মাছ ধরা পড়ছেনা বলছেন জেলেরা।অভিযানের শুরুতে নদীতে জেলে নামতে কিছুটা কম দেখা গেলেও, এখন তার উল্টো চিত্র।

জেলার নড়িয়া, জাজিরা, ভেদরগঞ্জের সখিপুর, গোসাইরহাটে উপজেলার পদ্মানদীর তীরবর্তী এলাকার ছোট বড় মিলিয়ে ৪-৫ শ ভ্রাম্যমাণ আড়ৎয়ে বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট এলাকায় ১৫ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় সবচেয়ে বেশি জেলে নদীতে মাছ নিধন ও বিক্রি করছে। নড়িয়ার শুরেশ্বর ও সখিপুর এর কাচিকাটা দেওয়ানবাজার, উত্তর তারাবুনিয়ার মোল্লা বাজার, ছুরিরচর, বন্দুকসি বাজার, কোদালপুর, জালালপুর, মরিচা হাটসহ অসংখ্য আড়ৎয়ে এসে জেলের মাছ বিক্রি করছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে কোন কোস্টগাড ও মৎস্য প্রশাসনকে অভিযান করতে দেখা যায়নি। একটি সিন্ডিকেট প্রশাসনের সাথে সক্ষতা রেখে জেলেদের নদীতে জাল ফলতে সহযোগীতা করছে।

সরকারিভাবে জেলেদের ২৫ কেজি করে চাল দেয়া হলেও পেটের দায়ে মাছ ধরতে নদীতে নামছেন অনেক জেলে। জেলেরা প্রশাসন দেখলে কখনো কখনো জেলেরা দল বেধে পালায় কখনোবা প্রশাসনের উপর চড়াও হয়ে হমলা করে।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানায়, জেলায় ৮০ কিলোমিটার পদ্মা নদীর অংশ রয়েছে। যার মধ্যে অভয়াশ্রম এলাকা রয়েছে ২০ কিলোমিটার ভেদরগঞ্জে ১৫ কিলোমিটার এবং নড়িয়া উপজেলায় ৫ কিলোমিটার এখানে অভয়াশ্রমের আওতায় দিন রয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা মৎস্য অফিস এবং উপজেলা মৎস্য অফিস প্রতিনিয়ত অভিযান করে আসছে নদীতে। এ পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে শরীয়তপুরে ১০০+ জন জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। নয়টি জেলে নৌকা জব্দ করাসহ এক লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন বলেন, সরকার নিষেধাজ্ঞা দেয় আইন করে আমরা কেউত মানছি না। কিছু অসাধু ব্যাবসায়িরা জেলেদের মদদ দিয়ে নদীতে মাছ ধরতে নামিয়ে দেন। এতে দেশের ইলিশ মাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

সখিপুরের নদীর তীরের এক আড়ৎ মালিক বলেন নদীতে মাছ তো পাইতেছে না। নদীতে অনেক জেলেরাই নেমেছে কিন্তু কেউ একটা দুইটা মাছ পাচ্ছে। অভিযানটা আরো এক সপ্তাহ আগে দিলে কিছু মাছ পাওয়া যেত।

জেলেরা বলেন, অভিযান পিছিয়ে দিয়েছে তাই মাছ নদীতে নাই। একেবারেই মাছ নেই। আমরা কি করবো কার্তিক মাসে কোন বছর অভিযান দেয় নি সরকার। তাই আমরা মাছ কম পাচ্ছি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক জানান, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান করছি আমাদের উপজেলা প্রশাসন জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করছে। আজকেও ভেদেরগঞ্জ, নড়িয়া, জাজিরা, গোসাইরহাট উপজেলা প্রশাসন আমাদের সাথে সহযোগিতা করছে। খন্ডকালীনভাবে যারা অবৈধভাবে মাছের ব্যবসা করে আমরা তাদের আড়ৎ ভেঙে দিয়ে আসতেছি। সুযোগে পেলেই তারা নেমে যাচ্ছে।।আমরা বিষয়টি কঠোরভাবে দেখবো।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD