
মোঃ মাকসুদুর রহমান শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাবেক ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপকারভোগীদের মাঝে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়ম ও নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মেসার্স রফিকুল স্টোরের স্বত্বাধিকারী ও ডিলার ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় উপকারভোগীদের অভিযোগ, ভাতশালা ইউনিয়নের ইমামবাড়ি বাজারে অবস্থিত মেসার্স রফিকুল স্টোরে চাল বিতরণের সময় নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন কার্ড দেওয়ার কথা বলে এবং কার্ডে নাম অন্তর্ভুক্তির আশ্বাসে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কার্ড বাতিলের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন উপকারভোগী।
এদিকে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীর তালিকায় অন্তত পাঁচজন মৃত ব্যক্তির নাম থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাদের নামে বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলন ও বিতরণের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপকারভোগীরা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ডিলার ইদ্রিস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে শেরপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি ভাতশালা এলাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি নিয়েছে। প্রতিটি পরিবারের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা স্পষ্ট হবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা উদঘাটন করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।