
মোঃ হোসেন চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকত প্রতিদিনই
দূর দুরান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু স্বজন নিয়ে ছুটে আসেন সমুদ্র সৈকতে
তবে বাঁশবাড়ীয়া গ্রামীন সড়ক যানজটের কারনে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে, হাজার হাজার পর্যটকদের,
এবং এই অবস্থা বাঁশবাড়িয়া গুপ্তছড়া ফেরিঘাট এর সড়ক প্রশস্ত করার দাবি জানিয়েছেন ঘুরতে আসা, পর্যটকরা।
শুক্রবার বিকেলে দেখা গেছে সমুদ্র সৈকতে সিএনজি স্ট্যান্ড থামিয়ে রাখা হয়েছে দুই শতাধিক গাড়ি স্থানীয়রা বলেন,অনেকে রিজার্ভ সিএনজি নিয়ে অটোরিক্সা কেউ মোটরসাইকেল যোগে শত শত পর্যটক বাঁশবাড়ীয়া সৈকতে আসেন।
ঘুরতে আসা এক প্রবাসী,নুরুল আলম বলেন দীর্ঘ বছর প্রবাসে থাকি, তাই পরিবার পরিজন নিয়ে ঘোরার সুযোগ হয় না, তাই দেশে এসে আজ বন্ধের দিন শুক্রবার পরিবার সবাইকে নিয়ে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে আসলাম ঘুরতে, সবদিকে ভালো লেগেছে,কিন্তু রাস্তাঘাট জেম,
ফেনী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটন,আব্দুল সাত্তার, বলেন তারা বন্ধ পেলে সুযোগে ঘুরতে বের হয়, কিন্তু আজ বাঁশবাড়ি আসলাম সমুদ্র সৈকতে সবদিক ভালো লেগেছে আরো ভালো লেগেছে গুপ্তছড়া ফেরিঘাট হওয়াতে, এখন থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আসা যাবে এবং সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে।
স্বপরিবারকে নিয়ে ঘুরতে আসা এক স্কুল টিচার,মোতালেব বলেন, সীতাকুণ্ড বাঁশবেড়িয়া সমুদ্র সৈক,প্রায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এত পর্যটক আসেন, কিন্তু রাস্তাটা এত ছোট, জ্যাম পোয়াতে অনেকক্ষণ, যাহা এই গরমের মধ্যে অনেকে ঘুরতে এসে বিরক্ত বোধ করেন, তাই আমাদের একটি কথা হয়তো সড়কটি যদি আরও বড়সড়ো হয় তাহলে বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকদের আসা-যাওয়া আরো সহজ হবে।
তিনি আরো বলেন, মহাসড়ক থেকে দশ মিনিটের পথ অথচ এই ছোট রাস্তা আর এত মানুষ আছেন, যাই রাস্তা দিয়ে দেড় ঘন্টা চেয়ে বেশি সময় লাগে।
তাই রাস্তাটি বড় করার প্রয়োজন, না হলে পর্যটকদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
কিভাবে আসবেন এই বাঁশবাড়িয়া সৈকতে। দেশে যেকোনো জায়গা থেকে সীতাকুণ্ড উপজেলা ঠিক বাঁশবাড়িয়া বাজারে নামতে হবে। এরপর সিএনজি রিজার্ভের অথবা লোকালে আসা যায়, আসার পরে সিএনজি স্ট্যান্ড, থেকে সমুদ্র দুই থেকে তিন মিনিটের হাঁটারপরে সমুদ্র পৌঁছানো যাবে।