1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন

জমে উঠছে পশুর হাট, চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর।

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত

ধামইরহাট প্রতিনিধি, নওগাঁঃ

 

জমে উঠছে পশুর হাট, চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর।

২৪ মে (রবিবার)আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠছে হাট। উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট রবিবারের সাপ্তাহিক হাট ধামইরহাট পশুর হাট। এবার কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু ও ভারতীয় গরুর প্রভাব না থাকায় ছোট জাতের দেশি গরুর সরবরাহ বেশি বলছেন স্থানীয় খামারিরা। তবে হাটে এবার বড় গরুর থেকে চাহিদা বেশি মাঝারি ও ছোট গরুর।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার ধামইরহাটে স্থানীয় চাহিদার চেয়েও প্রায় দ্বিগুণ কোরবানি যোগ্য পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। ধামইরহাট উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা মিলিয়ে কোরবানির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে ৭১ হাজার ৪৯৪টি গবাদিপশু। অথচ এই বছর উপজেলায় কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে মাত্র ৩৩ হাজার। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও প্রায় ৩৮ হাজার ৪৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা দেশের অন্যান্য জেলার পশুর ঘাটতি মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, প্রস্তুতকৃত ৭১ হাজার ৪৯৪টি পশুর মধ্যে গরুর সংখ্যা যেমন আশাব্যঞ্জক, তেমনি ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে ছাগল: ৪৩ হাজার ৬১৮টি, গাভী: ১০ হাজার ১২৫টি, ষাঁড় গরু: ৮ হাজার ১৯৬টি, ভেড়া: ৬ হাজার ৯২৫টি, বলদ: ১ হাজার ২২৪টি, মহিষ: ৭১২টি।

 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খামারিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পশুখাদ্যের চড়া দামের পরও ভালো লাভের আশায় তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, খামারিরা যাতে পশুর ন্যায্য মূল্য পান এবং কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের খপ্পরে না পড়েন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। সুস্থ-সবল পশু হাটে তোলার ব্যাপারে খামারিদের নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সকাল থেকে দেখা যায় হাটে উপজেলায় ছোট-বড় খামার থেকে গবাদি পশু নিয়ে আসছেন খামারিরা।

 

রবিবারের সাপ্তাহিক হাট বেলা ২ টা গিয়ে  দেয়া যায় হাট কানায় কানায় গরু ছাগলে ভরপুর। হাটে গরু বিক্রি করতে আসা বিক্রেতা মোহন বিশ্বাস বলেন, আজ সাপ্তাহিক রবিবারের  হাটে ক্রেতার থেকে গরুর সংখ্যা বেশি দেখা গেছে। সময় বেচা বিক্রি ভালো হবে এমন প্রত্যাশা করছে গরু বিক্রেতা।

 

ছোট খামারি মতি মিয়া বলেন, অনেক যত্নে লালন-পালন করা গবাদি পশু ৫টি নিয়ে আসছিলাম, ১টি বিক্রি করেছি। গরুটি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি ক্রেতাদের মধ্যে।

ক্রেতা মো. আব্দুস সোবহান  বলেন, হাটে ঘুরে ঘুরে পশু দেখছি, আর দরদাম করছি। পছন্দ হলে কিনে নিয়ে যাবো। তবে কোরবানির পশুর হাটে বড় গরুর থেকে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি।আমাদের মতো ছোট চাকুরী জীবি মানুষের কোরবানি দেওয়া বড় কষ্টের।কারন আমরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি,আমাদের ঈদ বোনাস ৫০%।সরকার যদি ১০০%ঈদ বোনাস দিত তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো। অন্য দিকে কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন এবার অতিবৃষ্টির ফলে আমরা ধানের ভালো দাম পাচ্ছি না।পরিবারের জন্য কোরবানি ও কিনতে হবে।আমাদের দুঃখ চিরকাল।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD