1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

জয়পুরহাটে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৩ লক্ষাধিক পশু

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত

 

জয়নাল আবেদীন জয়, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে জয়পুরহাটে অতিযত্নে পশু লালন-পালন করছেন খামারিরা। এখানকার পশু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হবে সারা দেশে। তবে গতবার লোকসান হওয়ায় এবারও কিছুটা আশঙ্কায় আছেন এখানকার খামারিরা। তবু ঈদকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন তারা, করছেন পশু মোটাতাজাকরণ। এ বিষয়ে নানা রকম সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

 

জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলায় প্রতিবছর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে খামারে গরু-ছাগলসহ অন্যান্য পশু পালন করেন প্রান্তিক খামারিরা। জেলায় এবার ছোট-বড় ২৩ হাজার ১৫২টি খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৩টি পশু। এর মধ্যে গরু ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৪টি, ছাগল ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৯১, ভেড়া ৫০ হাজার ৯০ ও মহিষ ২৩৮টি। এদিকে এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৫৫৩টি। আর চাহিদার অতিরিক্ত ১ লাখ ২৩ হাজার ২০টি পশু বিক্রি হবে দেশের বিভিন্ন জেলায়। খামারিরা ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করছেন। খামারিরা বলছেন, গত বছরের লোকসান হওয়ায় এবারও শঙ্কায় আছেন তারা। সেই সঙ্গে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় গরু পালনে খরচ কিছুটা বেশি হয়েছে। তাই ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু চোরাচালান ঠেকানোসহ ন্যায্যমূল্যের আশা করছেন খামারিরা।

 

সদর উপজেলার পুরানাপৈল বাজারের খামারি সুমন হোসেন বলেন, ‘কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করছি। গরুকে ঘাস, খৈল ও ভুসিসহ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়াচ্ছি। এবার গরুর প্রতিটি খাবারের দাম অনেক বেশি, তাই খরচও অনেক বেশি পড়ছে। তার পরও দাম ভালো পেলে আমরা কিছুটা লাভ করতে পারব। আর বাজার কম হলে আমরা ক্ষতির মুখে পড়ব।’

 

পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মশিউর রহমান বলেন, ‘কোরবানি ঈদে একটু লাভ করব বলে আমরা কষ্ট করে গরু পালন করি। আমার খামারে ২৫টি গরু আছে। মাত্র একটি গরু বিক্রি করেছি, মোটামুটি লাভ হয়েছে। অন্য গরুগুলো ভালো দামে বিক্রির আশা করছি। এ ছাড়া আমাদের জেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় ভারত থেকে গরু আসার অনেক সম্ভাবনা থাকে। সরকারের কাছে অনুরোধ ভারত থেকে যেন কোনো গরু না আসে।’

 

ক্ষেতলাল উপজেলার বাঁশখুপি গ্রামের খামারি মেহেদী হাসান দোলন বলেন, ‘কোরবানি ঈদ সামনে রেখে ১২টি গরু প্রস্তুত করেছি। এখন দাম ভালোই মনে হচ্ছে। এ রকম দাম যেন শেষ পর্যন্ত থাকে। আর ভারতের গরু ঢুকলে আমাদের দেশীয় গরুর দাম কমে যায়। সরকার যেন এ বিষয়ে নজর দেয়।’

 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মহির উদ্দীন জানান, জেলার চাহিদার অতিরিক্ত ১ লাখ ২৩ হাজার ২০টি পশু সরবরাহ হবে দেশের বিভিন্ন জেলায়। জয়পুরহাটে ২৭টি হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় হবে। হাটে আমাদের মেডিকেল টিম থাকবে। কোনো গরু অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমে পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। আমাদের পেজ আছে, সেখানে যেকোনো খামারির গরুর ছবি ও তথ্য দিয়ে পোস্ট করা হয়। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে গরু কিনতে পারবে এর মাধ্যমে। আমরা খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ, উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করছি। আশা করছি তারা এবার ভালো দাম পাবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD