1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. reporter3@dailynayakontho.com : nayakantho3941 :
  3. nayakontho@gmail.com : nayakontho :
  4. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা।   প্রশাসন থেকে রাজনীতিতে আসা জয়পুরহাটের আবদুল বারী প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়েই জয়ী।  উন্নয়নের সূচকে অগ্রগতি, কিন্তু আলোহীন মনপুরা। ফরিদপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কলেজছাত্রকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ। কিশোরগঞ্জের মোবারক হোসেন সুমন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’–এর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নির্বাচিত। কোটালিপাড়ায় চলাচলের পথ বন্ধ, গৃহবন্দী ৩০-৩৫ পরিবার। নড়াইলের কালিয়ায় বৃদ্ধর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রাজশাহীতে কথিত মানবাধিকার সংস্থার আড়ালে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি।    নড়াইলে মাছের বাজার দাম ঊর্ধ্বমুখী। রাজশাহীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ গোদাগাড়ীর মশিউর গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো জেলহাজতে।    

টাঙ্গাইলে বাড়ছে শীতের তীব্রতা, ঠান্ডাজনিত রোগে কাবু শিশু-বয়স্করা

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২০ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেন:

টাঙ্গাইল জেলায় অনেকটা জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েক দিনের শীতের তীব্রতায় নাজেহাল মানুষ। দেখা দিয়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। এতে বেশির ভাগ আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। ঘন কুয়াশা আর শীতের তীব্রতার কাছে সবাই যেন পরাস্ত। ভোর থেকে দিনের একটা লম্বা সময় কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারপাশ। অনেক স্থানে মাঝ দুপুরে সূর্য দেখা দিলেও তেমনটা নেই উত্তাপ। ঠান্ডা বাতাসের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে সূর্যের তাপ। এদিকে শীতের মাস পৌষ শুরুর আগেই তাপমাত্রা নিম্নগামী হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন তারা। অনেক জায়গায় নির্দিষ্ট বেডের বিপরীতে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকেই। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীর স্বজনরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনজনিত ঠান্ডার কারণে রোগের প্রকোপ বাড়ছে। অনেকে কাশি, গলাব্যথা, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত জটিলতাসহ জ্বর ও ভাইরাল ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা আরও বলেন, শীতে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, হাঁপানি, টনসিলাটাইসিস, ব্রঙ্কিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস সমস্যা দেখা দেয়। এবার ডেঙ্গুর পরেই শিশু শীতজনিত রোগে ভুগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হচ্ছে। যাদের জটিলতা বেশি, তাদের ভর্তি করা হচ্ছে। দুই সপ্তাহ ধরে শীতকালীন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে শীতজনিত ফ্লু ও আরএস ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, রেসেপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, অ্যাজমাজনিত পালমোনারি প্রবলেম, জ্বর ও ডায়রিয়া নিয়ে আসছেন। অনেকের অবজারভেশনে ভর্তি করা হচ্ছে। অনেকের পরিস্থিতি বুঝে বহির্বিভাগে চিকিৎসা দিয়েই বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলেন, শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কম এবং ধূলিকণা বেড়ে যাওয়ায় ফ্লু, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস এবং ডায়রিয়ার মতো রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। ফলে জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস ও শীতকালীন ডায়রিয়ায় শিশু অনেক বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই বিশেষজ্ঞ বলেন, শিশুকে সুস্থ রাখতে শীতের কাপড় পরাতে হবে, মাথা ঢেকে রাখতে হবে, মাথায় ঠান্ডা লাগানো যাবে না, বাড়ির বাইরে অহেতুক বাচ্চাদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করা যাবে না। শিশুর ঠান্ডা লাগলে, কাঁশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো যাবে না।

এদিকে আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছেন, এ মুহূর্তে টাঙ্গাইল জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে এক থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৫ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD