
জয়পুরহাটে পিপাসের খুনিদের আইনের আওতায় এসে ফাঁসি কার্যকর করার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।
শাহাবউদ্দিন ইসলাম, আক্কেলপুর প্রতিনিধি
জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর বাঁশঝাড় থেকে কলেজছাত্র মাহমুদুল হাসান পিপাসের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনিদের আইনের আওতায় এসে ফাঁসি কার্যকর করার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে তার বন্ধুরা।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে শহরের শহীদ ডাঃ আবুল কাশেম ময়দান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন, পিপাসের ভাই প্রিন্স, নানা আব্দুল হানিফ, বন্ধু হাসানুল হক বান্না, মুফতি দেওয়ান সেতু, আসিফ খান জিয়ন, আরিয়ান ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গত শুক্রবার পিপাসের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার দুই দিন আগেই সে নিখোঁজ হয়। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী সতিঘাট এলাকার তুলশীগঙ্গা নদীর বাঁধের পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে আত্মহত্যা করার মতো ছেলে নয়। তাকে পরিকল্পিতিভাবে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। তাই অবিলম্বে খুনিদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দিতে হবে।
মাহমুদুল হাসান পিপাস আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর গ্রামের মৃত মাহবুবুর রহমান ছেলে। পিপাস জয়পুরহাট সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিল। পাশাপাশি সে একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন এবং জয়পুরহাট শহরের ধানমন্ডী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।