1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী সদরে ১৯২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ; আরও বরাদ্দ চাইলেন ইউএনও, নিরুপমা রায় বগুড়া-নওগাঁ সড়কে বেপরোয়া বাসের তাণ্ডব: প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ২০-২৫ জন পটিয়ায়-পর্যটক বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক, ১ লাখ ইয়াবাসহ ৫ মোটরসাইকেল জব্দ তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে রাজবাড়ী সদরের ইউএনও, নিরুপমা রায়; ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান রাজবাড়ী সদর ইউএনও, নিরুপমা রায়ের নেতৃত্বে শহীদ আব্দুল গণি শেখের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন নানা কর্মসূচিতে বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম গোয়ালন্দে ইউএনও সাথী দাসের বিরুদ্ধে ঝাড়ু ও জুতা মিছিল! ফ্যামিলি কার্ড শুমারির পরীক্ষায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউট জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ, শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুইজন জেলহাজতে। দৈনিক নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৩০৯ বার পঠিত

পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউট জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ, শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুইজন জেলহাজতে

রাজশাহী ব্যুরো ঃ বিগত আ’লীগ সরকারের শাসনামলে রাজশাহীতে পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রকৃত মালিককে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠানটি দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুইজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শরিফুল ইসলাম থানায় মামলা করেছেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত দুই আসামি মাহাবুর রহমান ও শ্রমিক লীগ নেতা শরীফ আলী মুনমুন বর্তমানে জেলহাজতে আছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী শরিফুল ইসলাম তার পরিচালনায় রাজশাহী নগরীর শালবাগান বিমানবন্দর রোডে ৪ তলা বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউট নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুরু করার পরিকল্পনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে যাবতীয় ইক্যুইপমেন্ট সামগ্রী ক্রয় পূর্বক যথাযথ ল্যাব ও ক্লাসরুম সন্নিবেশিত করে প্রতিষ্ঠানের জনবল নিয়োগ করে বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত নিয়ম অনুসারে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্ট এবং দশ লাখ টাকার এফ.ডি.আর সম্পাদনও করেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম একটু স্থবির হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আমেনা মেডিকেল এসিসটেণ্ট ট্রেনিং স্কুল তালাইমারী এর পরিচালক বিবাদী মাহাবুর রহমান বাদী শরিফুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন। তখন মাহাবুর রহমান তাকে মৌখিক প্রস্তাব দেন যে, তালাইমারীতে তার আমেনা ম্যাটস্ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। ওই ভবনেই যদি পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউটটি পরিচালনা করা হয় তাহলে খরচ সংকুলান হবে। এ প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে শরিফুল ইসলাম সেখানে পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থানান্তর  করেন। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের পহেলা জুন পদ্মা নার্সিং ইনস্টিটিউটের (স্বারক নম্বর ৫৯.০০.০০০০.১৪৩.০৬.০২.২০১৮ -১৩০/১(৬)) অনুমোদন দেয়।

সে সময় লোভের বশবর্তী হয়ে মাহাবুর রহমান ও শরীফ আলী মুনমুন ইনস্টিটিউটি দখলের পায়তারা শুরু করেন। ওই দুই জন মালিকানা নিজেদের নামে নিতে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেন এবং বাদি শরিফুল ইসলামকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে ২০২১ সালের পহেলা মার্চ সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে শরিফুল ইসলামকে ফোন করে নগরীর জিরোপয়েন্টে জলিল বিশ্বাস মার্কেটে ডাকেন ওই দুইজন। শরিফুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত হলে আসামি শরিফ আলী মুনমুন তাকে বলেন যে, তুমি বাইরের লোক। ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে তুমি প্রতিষ্ঠান চালাতে পারবে না। সে সময় তারা আরো ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন যে, চাঁদার টাকা না দিতে পারলে আমাদের নামে প্রতিষ্ঠান স্ট্যাম্পে লিখে দাও, আমরা প্রতিষ্ঠান চালাবো।

এসময় কয়েক ঘণ্টা তাকে আটকিয়ে রাখেন মাহাবুর রহমান ও তার লোকজন। পরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্য দেখিয়ে তিনশত টাকার একটি স্ট্যাম্পে শরিফুল ইসলামকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করে নেন। এরপর নার্সিং কাউন্সিল কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের নাম পরিবর্তন করে মালিক বনে যান। আর শরিফুল ইসলামকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হয়।

শরিফুল ইসলাম বলেন, এতে তার প্রায় দুই কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয় এবং মানসম্মান ক্ষুণ্ন হয়। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটসহ নানা কারণে তিনি এতদিন কোন আইনি ব্যাবস্থা নিতে পারেননি। এর সঙ্গে বিবাদীরা নানাভাবে লাগাতার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তাকে। বর্তমানে পরিবেশ অনুকূলে হওয়ায় চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করেন তিনি।

পরবর্তীতে মামলার প্রেক্ষিতে দুই অভিযুক্ত মাহাবুর রহমান ও শরীফ আলী মুনমুন আদালত থেকে আপসের শর্তে জামিন নেন। পরের ধার্য্য তারিখের আগেই আপোস করে নেয়ার কথা থাকলেও তারা তা করেননি। সর্বশেষ ২৭ অক্টোবর আবার আদালতে হাজির হলে অভিযুক্ত দুই জনকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন আদালত।

শরিফুল ইসলাম আরো অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ বিষয়টি নিয়ে তাকে বিপদে ফেলতে নানাভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন । এরমধ্যেই তার বিরুদ্ধে চলতি বছর ১৪ অক্টোবর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মাহাবুর রহমান। শুধু তাই না, তার দায়ের করা মামলা উঠিয়ে নিতে তাকে নানাভাবে হুমকিও দেয়া হচ্ছে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে। এ নিয়ে তিনি প্রাণনাশের আশঙ্কাতেও ভূগছেন বলে জানান।

তবে অভিযুক্ত মাহাবুর রহমান ও শ্রমিক লীগ নেতা শরীফ আলী মুনমুন কারাগারে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD