
স্টাফ রিপোর্টার অভি খায়রুল ইসলাম সাভারঃ
নূরে মাদীনা হাজী হাতেম আলী মাদরাসার উদ্যোগে এক মনোজ্ঞ ইসলাহী মজলিস ও বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাজের নৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং সামাজিক শুদ্ধি আনতে এ ধরনের ইসলাহী সভার ভূমিকা অনস্বীকার্য।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহম্মেদ শাহীন, এবং সাভার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব হাফেজ দেলোয়ার। হযরত মাওলানা সাহেদ জহিরী মাওলানা মুফতি আব্দুল হাকিম মুফতি রেজাউল করিম কাসেমী মুফতি মমিনুর রহমান
সার্বিক তত্ত্বাবধানে মোঃ জসিম উদ্দিন মোঃ আব্দুল হান্নান তাঁরা ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব এবং যুব সমাজকে নৈতিক পথনির্দেশনার প্রতি উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।
সভাপতিত্ব করেন মেহেদী রানা শহীদ, যিনি সাভার পৌর সভার সাবেক ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
মেহেদী রানা সহিদ বলেন আমি রাজনীতি করি না, জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। সাভার পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও জনগণের সেবামূলক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
আমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলাম সাবেক ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে এলাকার যুব সমাজের পাশে আছি আমি নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ও পানির ব্যবস্থা উন্নয়ন
মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ প্রদান নারী ও প্রবীণদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি আমি চাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সাভারের ৮নং ওয়ার্ডকে একটি দৃষ্টান্তমূলক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে।”
বিভিন্ন মহলে ইতোমধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি তরুণ সমাজের কাছে একজন উদ্যমী, সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিত।
মেহেদী রানা সহিদ প্রমাণ করছে, জনগণ পরিবর্তন চায়—একজন জনবান্ধব, কর্মঠ ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির কাউন্সিলর হিসেবে মেহেদী রানা শহীদকে পাশে চায়।এলাকাবাসী
তাঁর নেতৃত্বে পুরো অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।
আলোচনা সভায় ধর্মীয় শিক্ষকদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্র-তরুণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।