
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ১৩ নং আদ্রা ইউনিয়নে মন্দুক গ্রামের কালভার্ট ভাঙ্গা , ভোগান্তিতে জনগন
সালমা আক্তার
কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন সোনাইমুড়ী থেকে হেরপেটি ও মন্দুক ও পেরপেটি ও একবাড়িয়া( কোড্ডারপাড় রোড) সর্ব বৃহৎ জনবহুল লোকের চলাচলের রাস্তা এটি। এই রাস্তায় মন্দুক ও পশ্চিম পদুয়া গ্রামে যাতায়াতের জন্য রয়েছে একটি কালভার্ট যা জরাজীর্ন এবং ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে।
এটির ওপর দিয়ে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশা মানুষ চলাচল করছেন।
সম্প্রতি এমনি এক চিত্র দেখা গেছে এই কালভার্টে। অনেকে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল নিয়ে চরম আতঙ্কে পারাপার হচ্ছেন। এমতাবস্থা চলতে থাকলে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন এর ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টের ওপর দিয়ে ওই এলাকার স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশা মানুষ চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন থেকে ভাঙা কালভার্টটির ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছেন। এতে করে যে কোনো মুহূর্তে মারাত্নক দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারেন। তাই ভাঙা কালভার্টটি ভেঙে ওই স্থানে দ্রুত এটি মেরামত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
কুমিল্লা বরুড়া আদ্রা ইউনিয়ন সোনাইমুড়ী থেকে হেরপেটি ও পেরপেটি ও মন্দুক পদুয়ার পাড়( কোড্ডারাপাড় রোড) সর্ব বৃহৎ জনবহুল লোকের চলাচলের রাস্তা এটি।
এই রাস্তাটি দিয়ে প্রায় দৈনিক ১৫-২ হাজার লোকের চলাচলের জন্য রয়েছে একটি কালভার্ট এবং যা ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে চলাচলের জন্য রাস্তাটিতে একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে রাস্তার বেহাল দশা হয়ে যায়। তাছাড়াও এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। স্থানীয় লোকজন জানান একাধিকবার রাস্তা এবং কালভার্ট মেরামতের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রাকিবুল হাসান লিমনকে একাধিকবার অবহিত করলেও তিনি কর্ণপাত করেন না।
শিক্ষার্থী কাওসার মিয়া, সিনতিয়া খাতুন ও আশামনি বলে, এখানে কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার কারণে আমাদের ছোট বড় সকলের সমস্যায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন থেকে ভাঙা রয়েছে কেউ এটা নিয়ে ভাবেন না। তবে এই কালভার্ট জরুরিভাবে দরকার।
আদ্রা ইউনিয়নের স্হানীয় কৃষক সহ আরও অনেকে জানান,
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় আমাদের। তবে এখানে ছোট একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হলে দুর্ভোগ থাকবে না। তারা পুনরায় কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানায়।
স্থানীয় লোকজন বলেন ১৩ নং আদ্রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রাকিবুল ইসলাম লিমনেকে অবহিত করলেও তিনি কর্নপাত করেন নি। ভোট চাওয়ার সময় তিনি নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করেন নি। তার সাথে উক্ত বিষয়ে আলোচনা করলে স্থানীয় লোকজনদের কে মিথ্যা আশ্বস্ত করে যাচ্ছেন আজ দুই বছর যাবৎ,কিন্তু কালভার্টে সেই দুই বছর আগের বেহাল অবস্থায় রয়েছে।তাই আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে ১৩ নং আদ্রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিমন কে একাধিকবার তার মুঠো ফোনে কল করলে তিনি ফোন টি রিসিভ করেননি।