
মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)
প্রেম মানে না দুরত্ব,মানে কোন বাধা,জাতী, ধর্মের কোন ছোয়ায়ই তাকে রোধ করে রাখতে পারে না।বাস্তবেও ঠিক তাই ঘটেছে , টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা লোকেরপাড়া ইউনিয়নের পাঁচটিকরী গ্রামে প্রেমের টানে চীনা নাগরিক মেয়ের বাড়িতে এসে হাজির।ছেলের নাম জংজিয়া মাসুমা। মেয়ের নাম মোছাম্মৎ মায়া খাতুন তিনি গাজীপুরে একটি গার্মেন্টেসে চাকরী । তিনি ঐ গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে তিনিও ঐ এলাকায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।।
মায়া জানান আমার অনেক বান্ধবী অ্যাপস ডাউনলোড করে অনেক চাইনিজ ছেলের সাথে কথা বলে। আমি সবার দেখাদেখি অ্যাপস ডাউনলোড করার পর এই ছেলের সাথে পরিচয় হয়।পরিচয় শেষে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
আমাকে বিয়ে করতে চাইলে আমাদের বাংলাদেশে আসতে বলি। হঠাৎ বাবা মা আমাকে অন্যত্র বিয়ে দিতে চাইলে তখন ছেলেটি বলে তুমি কয়জনের সাথে বিয়ে বসতে চাও।তখন ছেলেটি আমি আসতেছি বলে বিমান টিকেট কেটে আমাকে ম্যাসেজ করে দেখান।তাতেও আমি বিশ্বাস করিনি।যখন বিমান বন্ধরে এসে একটি ছেলেকে দিয়ে আমাকে ফোন করে তখন বিশ্বাস করি। আমাকে পাওয়ার চীন থেকে বাড়িতে চলে আসে।
বাবা মালেক জানান প্রথমে যখন চায়না ছেলেটি আমাকে খুজে বের করে আমার মেয়ে কে বিয়ে করতে চায়। প্রথমে আমি রাজি হইনি।তার মায়ের সাথে যোগাযোগ করি সত্যতা পাই। বিষয়টি আমার গ্রামের বাড়িতে জানানো পরে সবার সম্মতি নিয়ে রাজি হই।যেহেতু মেয়ে পছন্দ করেছে তার সুখের জন্য কাজী আব্দুল আজিজের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মিলন মুঠোফোনে জানান ঘটনা সত্য তারা চলতি মাসের ১৮তারিখ এসে এখানে বিয়ে করে ঢাকায় চলে যায়।তবে মেয়ের দাদীকে ডেকে এনে ঘটনার সত্যতা জানি।