
স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেনঃ
পুলিশ পরিবারের সন্তান হয়েও প্রসাসনের বিরুদ্ধে জীবনের পঞ্চাশ বছরে এসে রাজপথে নামতে হয়েছে দেশ ও দশের কল্যাণে। জুলাই আন্দোলনে একজন মহিলা হয়েও সে রাজপথে নেমেছিল প্রত্যাশা ছিল দেশের স্বাধীনতা, স্বৌরাচারের পতন। এরপর আওয়ামী লীগের পতন হলেও, দেশের অস্থিতিশীল পরিবেশ তাকে নাড়া দেয়, সেজন্য তাকে আবারও নামতে হয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লোগান তুলে। বার বার দেশের অস্থীরতা, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ড তাকে ভাবায়, প্রতিবাদ করে সরাসরি। এখনো শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীকে গ্রেফতার না করার প্রতিবাদে সে বিভিন্ন সংগঠনের সাথে একত্ত্বতা প্রকাশ করে রাজপথে নেমে এসেছেন ভয়ভীতি ভুলে।
সামসাদ জাহান তানিয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি সামসাদ জাহান তানিয়া বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক এএসপি শামসুল আলম ভূইয়া। আমরা তিন ভাইয়ের মধ্যে আমি ছুট। বাবার আদর্শে বড় হয়েছি। বাবা সবসময়ই বলতো লেখাপড়া করে সৎভাবে দিন যাপন করতে। বাবা পুলিশ ছিল তাকে তার আদর্শের বাহিরে যেতে দেখিনি। আমার আশা ছিল বাবার আদর্শের পথে এগিয়ে দেশকে কিছু দিবো।
কোন অন্যায়কে প্রচয় না দিয়ে সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলবো। কিন্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাই আমার জীবনে কাল হয়ে দাড়াচ্ছে। জুলাই আন্দোলনে ছাত্র, সাধারনের উপর পুলিশের বর্বরচিত হামলা আমার চোখের সামনে ঘটেছে শহীদ করেছে। আমি এসব সন্তানের মা হয়ে বলছি আমি এমন নির্মম রাজনীতি ঘৃনা করি।
ওসমান হাদী হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে গিয়েছিলাম, সেদিনের পুলিশের আচরণ দেখে আরও মর্মাহত হয়েছি, এখনো পুলিশের সেই আচরণ পরিবর্তন হয়নি। আমি একজন ব্রেন স্টোক করা অসুস্থ মহিলা ছিলাম পুলিশ পরিবারের সন্তান হিসেবে এটাই চেয়েছিলাম আমার প্রতি সম্মান রেখে এমন আক্রমণ বন্ধ করবে, কিন্ত আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে হামলা চালিয়েছে। এভাবে কি দেশ চলতে পারে যেখানে কোন বিচার নেই রক্তের কোন দাম নেই। পুলিশের রক্ত শরীরে বইছে আমার, তাদের কর্মকান্ডে নিজেকে প্রশ্ন করি কোনভাবে যদি জীবনের এ দাগটি মুছে ফেলা যেতো। ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে সাক্ষাৎ করতে আমি অনেক জায়গায় ঘুরেছি, কিন্ত কোনভাবেই আমার সাথে সে সাক্ষাৎ করেনি, আমি ব্যাথিত। তাকে সরাসরি বলতে চেয়েছিলাম মনের আক্ষেপ গুলো কিন্তু পারিনি, যারমধ্যে দাবি ছিল ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার ভাঙ্গা হয়েছিল সেখানে সরকারি উদ্দ্যোগে যেন অসহায় ভুমিহীনদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। এমন কয়েকটি দাবি ছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করতে পাগলের মতো ঘুরছি, রাজপথে আমার সাংবাদিক ছেলেরা সাক্ষাৎকার নিয়েছে সেখানেও সাক্ষাৎকারের কথা উল্লেখ করেছি কিন্ত সে আমার সাথে দেখা করছেনা। দেশ ও সাধারণ নিয়ে যদি রাজনীতি না করে তাহলে সেই রাজনীতিকে আমি পছন্দ করিনা। আমি যতদিন বেঁচে আছি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবই যতই আঘাত হুমকি আসুক। ইনশাআল্লাহ দেশ একদিন পরিবর্তন হবে সাধারনের মনের আশা পুরন হবে এটাই প্রত্যাশা।