
স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেনঃ
কোটালিপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে চলাচলের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তি পল্টু রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহু পুরনো একটি আশ্রমের গেট এবং গ্রামের মানুষের ব্যবহৃত রাস্তা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তা থেকে মাটি কেটে উঁচু করে ফেলা হয়েছে এবং বাঁশ দিয়ে ঘিরে পথ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, পথ বন্ধ থাকায় শিশুদের স্কুলে যাওয়া, অসুস্থদের চিকিৎসা নেওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় প্রভাব পড়েছে এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিশ্বশুক সেবাশ্রম সংঘ-এর কার্যক্রমেও। আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানান, নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবছর এখানে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা অংশ নেন এবং পাশের স্কুল মাঠজুড়ে মেলা বসে। রাস্তা বন্ধ থাকায় আগতদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযুক্ত পল্টু রায় চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে শুরু করেন। তবে এ সময় তার স্ত্রী ও এক ছেলে তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তার স্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এটা আমার জায়গা, আমি বন্ধ করেছি। এটা কোনো চলাচলের পথ ছিল না। ওরা আমার অনেক ক্ষতি করেছে।” পরে পল্টু রায় চৌধুরীকে নীরব থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা কর্মকর্তা বলেন আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে তথ্য পেয়েছি আইননানুগ ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।